ঢাকাThursday , 19 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কিশোরীকে ধর্ষণ, বিয়ে না করলে আত্মহত্যা

Link Copied!

RAPEভোলা প্রতিনিধি : চরফ্যাসন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতির ছেলে রাকিব (২৪) রাতের আঁধারে প্রতিবেশীর ঘরের বেড়া ভেঙে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে।
বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল মাঠে নেমেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ঢালচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল পাটোয়ারিসহ স্থানীয়রা এ ঘটনায় রাকিবকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় দফাদার অভিযুক্ত যুবক রাকিবকে আটক করেছে এবং ভিকটিম কিশোরী ঢালচর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের নারী মেম্বার পারুল বেগমের হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত রাকিবকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দক্ষিণ আইচ থানার ওসি হানিফ সিকদার।
ঢালচর ইউনিয়নের দফাদার অলি মিয়া, নারী মেম্বার পারুল বেগম এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল পাটোয়ারিসহ স্থানীয়রা জানান, ভিকটিম কিশোরী ঢালচর ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। নানির মৃত্যুর খবর পেয়ে দুই দিন আগে তার বাবা ও মা চরফ্যাসনে নানা বাড়িতে গিয়েছেন। ঘরে ছিল ভিকটিম এবং তার ৬ বছর বয়সী ছোট ভাই। এই সুযোগে গত মঙ্গলবার রাতে প্রতিবেশী ঢালচর ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি রহিম মাঝির ছেলে রাকিব ভিকটিমের ঘরের বেড়া ভেঙে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করে।
এক পর্যায়ে বিষয়টি বাড়ির লোকজন টের পেয়ে রাকিবকে হাতে নাতে আটক করে। পরে স্থানীয় দফাদার রাকিবকে তার জিম্মায় হেফাজতে নেন এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নারী মেম্বার পারুল বেগম এসে ভিকটিম কিশোরীকে উদ্ধার করে নিজের হেফাজতে রাখেন। এ ঘটনায় ধর্ষিতাকে ধর্ষক রাকিব বিয়ে না করলে ধর্ষিতা অত্মহত্যার হুমকি দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ অভিযুক্ত রাকিব প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য হওয়ায় তাকে বাঁচাতে সরকারি দলের একাংশ উঠে পড়ে লেগেছে। অপর দিকে রাকিবকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় নেয়ার জন্য স্থানীয়রা আন্দোলনে নেমেছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ছালাম হাওলাদার এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।’