নিজস্ব প্রতিবেদক : দেখতে নিরীহ। শান্ত। ভদ্রলোক। নাম সম্রাট ছাহল। বাড়ি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি। মালয়েশিয়া হতে বৃহস্পতিবার ভোরে BG 087 ফ্লাইটে শাহজালাল বিমানবন্দরে আবতরণ করেন। নেমেই হ্যান্ডক্যারির ব্যাগটি নিয়ে রওনা হন ইমিগ্রেশনের দিকে। কিন্তু বেরসিক শুল্ক গোয়েন্দাদল বাধ সাধল! তারপর?
অনেকক্ষণ ধরে চলল জিজ্ঞাসাবাদ। ভদ্রলোক একেবারেই সাধু। কিচ্ছু নেই। কিন্তু গোয়েন্দা দলও নাছোড়বান্দা। শেষতক হাসপাতালে নেয়া হলো। এক্সরে করা হলো। ভদ্রলোক স্বীকার করলেন, তার পায়ুপথ দিয়ে ১৫টি বার ঢোকানো হয়েছে তলপেটে!
গোয়েন্দাদল অপারেশনের মাধ্যমে পেট কেটে সোনার বারগুলো বের করে আনতে চাইলেন। কিন্তু ভদ্রলোক নাছোড়, কান্নাকাটির ধুম ফেলে দিলেন। বললেন, ‘স্যার, আমারে অপারেশন কইরেন না। আমি অ্যামনেই বাইর কইরা দিতাছি!’
পরবর্তীতে এয়ারপোর্টের টয়লেটে কাস্টমস গোয়েন্দা ও অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তাদের সামনে একে একে ১৫টি সোনার ‘ডিম’ পাড়লেন তিনি। ওজন দেড় কেজি! এরপর নিজ হাতে সেগুলো নিয়ে বেরিয়ে এলেন তিনি।
একই ফ্লাইটে আসা আরেকজন এম এস ভুইয়া। বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়ায়। ট্রলির কোণাগুলোতে চেইন হিসেবে এনেছেন একটি স্বর্ণবারসহ ৫৫০ গ্রাম স্বর্ণ। যথারীতি গোয়েন্দা জালে তিনিও আটক হন।
দুজনেই এখন বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান।

