ঢাকাSunday , 15 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টঙ্গীতে যুবলীগ কর্মীসহ দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা

Link Copied!

marderগাজীপুর প্রতিনি : টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায় যুবলীগ কর্মী ও তার বন্ধুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মরদেহ রোববার সকালে এলাকার একটি বিলের পাড় ও রাস্তার ওপর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- টঙ্গীর এরশাদ নগর এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে শরীফুল ইসলাম ও একই এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে জুম্মন আলী। নিহত শরীফুল ইসলাম স্থানীয় যুবলীগ কর্মী ও শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ছিলেন। আর নিহত জুম্মান ছিলেন শরীফের বন্ধু। তিনি স্থানীয় একটি টুপি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
টঙ্গী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম জানান, রোববার সকাল ৭টার দিকে টঙ্গীর এরশাদ নগর এলাকার নিম্নাঞ্চলে একটি বিলের পাড়ে শরীফ ও রাস্তার ওপর জুম্মনের মরদেহ পড়ে দেখে স্থানীয় পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই দু’জনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত শরীফের ঘাড়ে এবং জুম্মনের মাথা ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।
রাতের কোনোে এক সময় দুর্বৃত্তরা দুজনকে হত্যা করে লাশ ওই স্থানে ফেলে গেছে বলে ধারণা ওই পুলিশ কর্মকর্তার। ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি, স্ক্রু ড্রাইভারসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
নিহত শরীফের মেয়ে সুইটি আক্তার জানান, রাত ১২টার দিকে তার বাবাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় ৪-৫ জন লোক। পরে তাকে এরশাদ নগরের বিলের পাড়ে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনা দেখে ফেলায় আমার বাবার বন্ধু জুম্মনকেও হত্যা করা হয়। তিনি তার বাবার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।
নৃশংস এ হ্ত্যাকাণ্ডকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা দাবি করে টঙ্গী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, দলীয় আভ্যন্তরীণ কোন্দল, পারিবারিক বিরোধ ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অতি দ্রুতই এ হত্যার রহস্য উদঘাটন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।
জোড়া খুনের ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম সবুরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও র‌্যাবের কর্মকর্তারা। মরদেহ সুরতাহাল প্রতিবেদন তৈরি করার পর ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।