ঢাকাMonday , 11 April 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গরমে অতিষ্টে এক টুকরো আনারসে স্বস্তি!

Link Copied!

Lifestyleচবি প্রতিনিধি : শিক্ষার্থীদের সকাল ৮টায় শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় আসা। দুপুর বা বিকাল অবধি ক্লাসের টাইড শিডিউল। তারপর ক্লান্ত শরীর নিয়ে ক্লাস থেকে বের হওয়া। গরমে অতিষ্টে তখন শিক্ষার্থীদের শরীর ঝিমিয়ে হেলে পড়ে একটু বিশ্রাম চাওয়া। তারপরও সেই সকাল থেকে দুপুরে না খেয়ে থাকা শরীরটা নিয়ে কোনো রকমে টেনে নিয়ে আসতে হয় শিক্ষার্থীদের। এর মধ্যে পথে যদি বিক্রি করা রসে টলমল আনারস থাকে তাহলেতো কোনো কথায় নেই। গরমে অতিষ্টে এক টকুরো আনারসে তখন স্বস্তি পায় শিক্ষার্থীরা।
সোমবার দুপুর তখনও ২টার ঘরে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জিরো পয়েন্ট মোড় থেকে একটু সামনে। ধরা যেতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের মউর দোকানের সম্মুখে। সারি সারিভাবে দাঁড়িয়ে আছে আনারস ভর্তি ভ্যান। ১০টাকা, ১৫টাকা কিংবা ২০টাকা সব দামের আনারস পাওয়া যায় এ ভ্যানেগুলোতে। কেউ কেউ আবার এ আনারসগুলো কেটে বিট লবন ছিটিয়ে পরিষ্কার প্লেটে বিক্রি করছেন। আবার কেউ আনারস কেটে বিক্রি করছেন ২টাকা, ৫টাকা পিসে।
এসব ভ্যানগুলোতে দেখা গেল শিক্ষার্থীদের ভিড়। গরমে অতিষ্টে ক্লান্ত শরীর নিয়ে শিক্ষার্থীরা এসব আনারস খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করছেন। যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কামরুন নাহার সানজিদা। তাকে দেখা গেল বন্ধুদের নিয়ে জিরো পয়েন্টে আনারস খেতে।
তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে দুপুর অবধি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে যাই। তার অবধি তীব্র গরমে অতিষ্ঠ। এর মধ্যে যদি এক টুকরো আনারস স্বল্প দামে খেতে পারি তাহলে কথায় নেই। আর এখানে আনারসগুলো ভালমানের ও পরিষ্কার। তাই গ্রীষ্মকালীন ফল খেতে পেরে খুব ভালই লাগছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের অান্তজার্তিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জোবায়ের চৌধুরী বলেন, ‘যে আনারস শহরে অনেক দাম নিয়ে খেতে হয় সেখানে ক্যাম্পাসে অনেক সস্তায় পাওয়া যায়। তাই আমাদের কাছে এ গ্রীষ্মকালীন ফল খুব প্রিয়। আমি প্রায় ক্লাস শেষে এসে প্রতিদিন আনারস খেয়ে ক্ষিধা মিটায়।’
এদিকে ক্যাম্পাসে আনারস ব্যবসা বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ীর কাছে। ক্যাম্পাসে প্রায় ১০টি স্থানে তারা ভ্যানে করে আনারস বিক্রি করছেন।
তাদের দেয়া তথ্যমতে, ক্যাম্পাসে প্রতিদিন একটি ভ্যানে ২০০-২৫০টি আনারস বিক্রি করছেন। যা থেকে প্রতি ভ্যানে আয় হচ্ছে প্রায় চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা পর্যন্ত।
মো.আব্দুল খালেক, বাড়ি হাটহাজারী। জিরো পয়েন্টে ভ্যান ভর্তি আনারস তার। সকাল থেকে বিক্রি করছেন তিনি। ক্যাম্পাসে আনারসের চাহিদা হওয়ায় শহর ছেড়ে এখানে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহ যাবত আনারস বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্রি করছি। চাহিদা এখানে খুব বেশি। প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার টাকা আয় হয়।’