ঢাকাSaturday , 9 April 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পূর্ণাঙ্গ আবাসিক হলেও প্রচণ্ড আবাসন সঙ্কট জাবিতে

Link Copied!

ju1জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও আবাসন সুবিধা থেকে বঞ্চিত জুনিয়র শিক্ষকরা। দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা থাকার কথা। কিন্তু এক শিক্ষকের বাসা অন্য শিক্ষকের দখলে আবার কেউ কেউ এক সঙ্গে দু’টি বাসা দখল করে আছেন। ফলে এক দিকে অনেক শিক্ষক আবাসন সুবিধা হারাচ্ছেন অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়টি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
কিছু আবাসন খালি থাকলেও সঠিক সময়ে প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে বণ্ঠন না করায় অনেক শিক্ষকই নির্দিষ্ট আবাসন সুবিধা না পেয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে ভাড়া বাসায় থাকছেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের চরম অবহেলাকেই দায়ী করেছেন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষকরা।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে যে, দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-বিরুনী হলের প্রভোস্ট ড. একেএম জসীম উদ্দিন নির্ধারিত বাসায় (এ-১) না থেকে অন্য একটি বাসা (বি-৭) থাকেন। দীর্ঘদিন (এ-১) বাসাটি শুন্য থাকার পরও হল প্রভোস্ট তার নির্ধারিত বাসায় স্থলাভিসিক্ত হননি।
এবিষয়ে ড. একেএম জসীম উদ্দিন বলেন, ‘দায়িত্ব পাওয়ার পর বেশিরভাগ সময়ই নির্ধারিত বাসাটি খালি ছিল না এবং আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে (বি৭) বাসাটিই দেয়া হয়েছে।’
এদিকে, দু’বছর অতিক্রান্ত হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.আবুল হোসেন প্রো-উপাচার্যের নির্ধারিত বাসাটি পাননি। জানা গেছে, প্রো-উপাচার্যের নির্ধারিত বাসায় থাকেন সাবেক প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আফসার আহমেদ।
দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও প্রো-উপাচর্যের বাসায় থাকার বিষয়ে অধ্যাপক ড. আফসার আহমেদ বলেন, ‘আমি প্রশাসনের কাছে মানসম্মত বাসা চেয়েছি কিন্তু এখনও আমাকে বাসা দেয়া হয়নি।’
অন্যদিকে মীর মশাররফ হোসেন হলের সাবেক প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সুকল্যাণ কুমার কুণ্ডু নতুন বাসা না পাওয়ায় হল প্রভোস্টের নির্ধারিত বাসাটিতেই থাকেন।
এবিষয় নিয়ে প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.আবুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত বাসার অভাবে সময়মত বাসা দেয়া যাচ্ছে না। একটি বাসা খালি হওয়ার পর তা প্রস্তুতের জন্য সময় ব্যয়ের ফলে নতুন শিক্ষকদের বাসা পেতে দেরি হয়।’
আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ব্যবস্থা থাকার কথা। কিন্তু আবাসন ব্যবস্থায় ঝামেলা, প্রসাশনের অবহেলার কারণে অনেক শিক্ষক বাসা না পাওয়ায় ক্যাম্পাসের বাইরে বাসা ভাড়া করে থাকে। এতে করে বাইরে থেকে এসে অনেক সময় ক্লাস নিতেও বিলম্ব হয় শিক্ষকদের। যার ভুক্তভোগী হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী।