ঢাকাThursday , 31 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খালেদার আত্মপক্ষ সমর্থন ৭ এপ্রিল

Link Copied!

Khaledaনিজস্ব প্রতিবেদক : দুদকের দায়ের করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে আগামী ৭ এপ্রিল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ জামিনে থাকা তিন আসামিকে ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করেছেন আদালত।
খালেদা জিয়া ছাড়াও এ মামলায় জামিনে থাকা অন্য দুই আসামি হলেন জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশিবাজার আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এই দিন ধার্যের আদেশ দেন।
এর আগে দুই মামলায়ই খালেদা জিয়ার পক্ষে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে অনুপস্থিতির জন্য আবেদন জানান তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও আব্দুর রেজ্জাক খান। এ ছাড়া তদন্ত কর্মকর্তার নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও মামলা বাতিল চেয়ে হাই কোর্টে খালেদার আবেদনের উল্লেখ করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন জানান তারা।
এ মামলার ৩২তম ও শেষ সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদকে আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে শেষ হয় মামলার জেরা সম্পন্ন হয়।
এসময় আসামি মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে হারুন-অর রশিদকে অসমাপ্ত জেরা করেন মনিরুল ইসলামের আইনজীবী টিএম আকবর।
একইসঙ্গে আসামিপক্ষ তাদের পক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী নেই বলে জানান। পরে ৭ এপ্রিল এ মামলার ৩ আসামীকে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করে তাদেরকে হাজির থাকতে নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দায়ের করা হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
অন্যদিকে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
দুই মামলারই বাদী হলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ খান।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।
জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ খান।