ঢাকাSunday , 27 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রয়াত অধ্যাপক ড. মাকসুদুল আলম স্বাধীনতা পুরস্কারে (মরণোত্তর) ভূষিত

Link Copied!

মরহুম অধ্যাপক ড. মাকসুদুল আলম

মরহুম অধ্যাপক ড. মাকসুদুল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরহুম অধ্যাপক ড. মাকসুদুল আলমকে স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর)-২০১৬ প্রদান করা হয়েছে। মাকসুদুল আলম ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দলিল উদ্দিন আহমেদ এবং লিরিয়ান আহমেদের তৃতীয় সন্তান। তাঁর পিতা তৎকালীন ইপিআর কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিদ্রোহ করেন এবং ৩ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে পাক বাহিনীর হাতে শহীদ হন।
অধ্যাপক আলম রাশিয়া সরকারের বৃত্তি নিয়ে মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে মাইক্রোবায়োলজিতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে জার্মানির ম্যাক্স প্লান্ক ইনস্টিটিউট থেকে তিনি বায়োকেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ড. আলম যুক্তরাষ্ট্রে পেঁপের জীবন রহস্য উন্মোচন করেন। তাঁর এ সাফল্য বিশ্ববিখ্যাত জার্নাল ‘ন্যাচার’ কভার স্টোরি হিসাবে প্রকাশ করে। তিনি ২০০৬ সালে ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্তের বিকল্প হিসাবে একটি প্রোটিন আবিস্কার করে পেটেন্ট লাভ করেন এবং ২০০৮ সালে মালয়েশিয়ায় রাবারের জীবন রহস্য উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন।
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে বাস্তবায়িত জুট জিনোম সিকুয়েন্সিং প্রকল্পের আওতায় ড. আলমের নেতৃত্বে ২০১০ সালে বিশ্বে সর্বপ্রথম উন্মোচিত হয় তোষা পাটের জীবন রহস্য। তারই নেতৃত্বে ২০১২ সালে পাটের ক্ষতিকারক ছত্রাক ম্যাক্রোফমিনা ফেসিওলিনা এবং ২০১৩ সালে দেশি পাটের জীবন রহস্যও উন্মোচিত হয়। উন্মোচিত জিনোম তথ্যের আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সাতটি পেটেন্টের আবেদন করা হয়েছে।
ড. আলম ১৯৮৭ সালে জার্মান সাইন্স ফাউন্ডেশন থেকে বেস্ট হামবোল্ট রিসার্চ ফেলো সম্মাননা, ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ্-এর শ্যানন অ্যাওয়ার্ড ও ২০০১ সালে হাওয়াই ইউনিভার্সিটি কর্তৃক এক্সেলেন্স অব রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড-এ ভূষিত হন।
ড. আলম ২০০৩ সাল থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইউনিভার্সিটির অ্যাডভান্সড স্টাডিস ফর জিনোমিক্স, প্রোটিওমিক্স এন্ড বায়োইনফরমেটিক্স-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কীর্তিমান এ বিজ্ঞানী ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে ইন্তেকাল করেন।