ঢাকাSaturday , 26 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশে..

Link Copied!

baby1লাইফস্টাইল ডেস্ক : বদলে যাচ্ছে দায়িত্ব ও পরিবারিক গঠন চিত্র। পরিবারের বিভিন্ন চাহিদার যোগান দিতে বাবা-মা দু’জনকেই ব্যস্ত থাকতে হয়। এতে স্বাচ্ছন্দ্য আসছে ঠিকই কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুর মানসিক বিকাশ। তাই এখন থেকেই ভাবতে হবে সুস্থ মন নিয়ে সন্তানকে লালন-পালন করতে কোন কোন বিষয়ে বাবা-মায়ের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
সময় দিন
কর্মক্ষেত্র থেকে বাসায় এসে বাচ্চার খোঁজ নিন। তাদের যেন মনে না হয় আপনার অবহেলা পাচ্ছে। সময় নিয়ে গল্প করুন, তাদের খেলায় অংশগ্রহন করুন এবং তাদের পড়াশুনা নিয়ে খোঁজখবর নিন। সন্তানের সঙ্গে এমন কিছু মুহূর্ত বের করে নিন যেন সে কোনো শর্ত ছাড়াই আপনার সান্নিধ্য ও স্নেহ পায়।
মিথ্যা পরিহার
অনেক সময় আমাদের কাজ ও কথার দ্বৈত আচরণে শিশুরা ‍বুঝে উঠতে পারেনা যে কোন আচরণটা উপকারী। উদাহরণস্বরূপ: যদি তাদেরকে শেখান যে বড়দের সম্মান করে কথা বলতে হবে তাহলে সে যেন দেখে যে আপনিও আপনার বয়োজ্যষ্ঠ্যকে সম্মান করছেন। আবার তাদেরকে কোনো কাজে মিথ্যা আশ্বাস দেয়া নয়। যেটা না পারবেন সেটা বুঝিয়ে বললেই হবে।
আক্রমণাত্বক আচরণ নয়
বাবা-মা একে অপরকে দোষ দেয়া, শারীরিক নির্যাতন ও গাল-মন্দ করা সন্তানের জন্য একটি অসুস্থ পরিবেশ তৈরি করে দেয়। ধীরে ধীরে সন্তানের মনে জমতে থাকে গ্লানি ও ক্ষোভ। সুতরাং চিন্তা করে দেখুন আপনার সন্তানকে গ্লানির ভারি বোঝাটা নিজেই চাপিয়ে দিবেন কিনা।
অপরের সঙ্গে তুলনা নয়
সব মানুষই তার নিজ নিজ চাহিদা ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্মায়। একেকজন একেক মানসিক ও শারীরিক শক্তির অধিকারী। আরেকটা শিশুর বিকাশ আপনার সন্তানের সঙ্গে না মিলতেই পারে। কিংবা এক সন্তান আপনার অন্য আরেকটি সন্তানের মত নাও হতে পারে। তাই তাদের কে তুলনা না করে প্রত্যেকের নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যে বেড়ে উঠতে সহযোগীতা করুন।
মাজির্ত আচরণের প্রশিক্ষণ দিন
মানসিক বিকাশে সন্তানের জন্মের প্রথম ৬ মাস এবং পরবর্তী ৬ বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মনোবিজ্ঞানীদের মতে এই সময়টাতেই তার ব্যক্তিত্বের গঠন সুনির্দিষ্টভাবে গড়ে ওঠে। তাই তখন থেকেই আপনার প্রতিটা আচরণ, বক্তব্য ও অনুভূতির প্রকাশ তাদেরকে গড়ে তুলে। তাই বলে বয়োঃসন্ধিকালটাকে আবার কম গুরুত্ব দিবেন না।
দোষারোপ এড়িয়ে যান
ভুল হলে বুঝিয়ে বলা দরকার। পাশাপাশি কোন আচরণটা প্রত্যাশিত সেটা বলে দিবেন। মনে রাখবেন সন্তান যদি নিজেকে মানসিকভাবে ছোট মনে করে তবে ভবিষ্যতে তার আত্ম-বিশ্বাস কমে যাবে এবং নেতিবাচক আ্ত্ম-ধারণা তৈরি হবে। ফলে সন্তান হীনমন্যতায় ভোগে, খেলাধুলা করতে চায় না, কারো সঙ্গে মিশতে চায় না।
আমরা আমাদের সন্তানের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব পরিপূর্ণতা পায়। তাই এখন থেকেই একটু একটু করে নিজের আচরণগুলো সন্তানের উপযোগী করে নিন।