ঢাকাWednesday , 23 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিজেআরআই পরিদর্শনে নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী
স্বাধীনতা সংগ্রামে ৬ দফার এক দফা ছিল পাটের ন্যায্য মূল্য

Link Copied!

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মচারি কল্যাণ সমিতির অভিষেক উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খান, ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. কামাল উদ্দিন ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মচারি কল্যাণ সমিতির অভিষেক উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খান, ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. কামাল উদ্দিন ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীনতা সংগ্রামে ৬ দফার এক দফা ছিল পাটের ন্যায্য মূল্য। নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শাজাহান খান গত মঙ্গলবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউস্থ বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মচারি কল্যাণ সমিতির অভিষেক উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী এ সময় বলেন, সোনালী আঁশ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হবে। বাংলাদেশের পাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে ৬ দফার এক দফা ছিল পাটের ন্যায্য মূল্য। তিনি আরো বলেন, পাট গবেষণা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পাটের গুণগত মান বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের অর্জন জাতি চিরকাল মনে রাখবে। পাট গবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের উচ্চ ফলনশীল জাত ও পাটের বাহারি পণ্য আবিষ্কারের জন্য তিনি বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জানান। বিজেআরআই’র সুনাম বর্তমানে দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, পাট এমনই একটি ফসল যার কোন কিছুই ফেলা যায় না। এ সময় উপস্থিত সবাইকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেশ মোতাবেক পাট পাতার তৈরি চা খাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পৃষ্ঠপোষকতায় পাটের জেনোম সিকোয়েন্সিং, উফশী জাত উদ্ভাবন এবং সর্বোপরি পাট পাতা থেকে তৈরি চা উদ্ভাবন আমাদের গৌরবান্বিত করেছে। মন্ত্রী এ সময় তার নিজ এলাকা মাদারীপুরে একটি পাট গবেষণা উপকেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকার প্রধানের সম্মাননা তাকে গৌরবান্বিত করেছে এবং এ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে তিনি বাংলাদেশের পাটকে বিশ্ব দরবারে অধিকতর উচ্চতায় আসীন করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাবেন। তিনি ড. মো. মাকসুদুল আলমকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৬ (মরোণোত্তর) মনোনয়ন দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ড. মো. নাসিমুল গনি বলেন, আমরা বিজ্ঞানীরা পাটকে এগিয়ে নিয়ে যাব; সাথে আপনারা আছেন-থাকবেন এবং এই বিশ্বাস করি, জয় আমাদের হবেই। পরিশেষে ককসের সভাপতি এম এ মালেক সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পরিচালক (কৃষি) ড. রহিমা খাতুন, পরিচালক (জেটিপিডিসি) ড. আবুল কালাম আজাদ, পরিচালক (কারিগরি) মো. আসাদুজ্জামান।