ঢাকাTuesday , 8 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একজোট হবে নারীরা

Link Copied!

FAKRULনিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত’ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আশা করেছেন, গণতন্ত্রের জন্য একজোট হবেন বাংলাদেশের নারীরা।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে কটাক্ষ করে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে, তা কখনই রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। গণতন্ত্রের পক্ষে সেটা যায় না। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের র‌্যালিপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন ফখরুল। এরপর বেলুন উড়িয়ে র‌্যালির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।
সোমবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি শীর্ষ দুই পদের নেতা নির্বাচন করেছেন। তারা কারা, বিএনপির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান। দুইজনই আসামি। একজন এতিমের টাকা আত্মসাৎ করার মামলার আসামি, আরেকজন ইন্টারপোলের আসামি এবং মানি লন্ডারিং, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আসামি। এরা জনগণকে কী দেবে! এরা নিজেরাই তো আসামি।’
বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবার কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। তবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে র‌্যালিটি শেষ হওয়ার কথা ছিল।
র‌্যালি থেকে ‘নারী দিবস দিচ্ছে ডাক, বাকশালিরা নিপাক যাক’সহ নানা স্লোগান দেয়া হয়। র‌্যালিতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সভাপতি নূরী আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানাসহ সংগঠনটির শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের নেতা-নেত্রীরা যে ভাষায় কথা বলছেন, তা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। এ বক্তব্যের সাথে সত্যের লেশমাত্র নেই। দুর্ভাগ্য যে, আমাদের যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছেন তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। প্রায় প্রত্যেককে আসামি করা হয়েছে।’
বিএনপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, ‘পৃথিবীর সভ্য দেশগুলোতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যেভাবে নারী দিবস পালিত হয়, বাংলাদেশে সেভাবে নারী দিবসের কর্মসূচি পালন করতে দেয়া হয় না। কারণ, এখানে কোনো গণতন্ত্র নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন যারা ক্ষমতায় রয়েছে দেশ পরিচালনা করার কোনো নৈতিক অধিকার ও বৈধতা তাদের নেই। কারণ, তারা নির্বাচিত নয়। একই কারণে নারীদেরও নিরাপত্তা নেই। নারীদের অধিকারগুলো কেড়ে নেয়া হচ্ছে। বিগত এক বছরে দেশে যে হারে নারী ও শিশু নির্যাতিত হয়েছে তা অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।’
ফখরুল আশা করেন, ‘নারী দিবসে প্রত্যাশা করব, বাংলাদেশের নারীসমাজ গণতন্ত্রের জন্য একজোট হবেন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সোচ্চার হবেন।’
মহিলা দলের র‌্যালিকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নয়াপল্টন এলাকায় তৎপর থাকতে দেখা যায়। বিএনপি কার্যালয়ের পাশে আগে থেকেই পুলিশের জলকামান ও সাঁজোয়া যান এনে রাখা হয়। তবে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।