ঢাকাWednesday , 6 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে-বিএনপি

Link Copied!

khaledaনিজস্ব প্রতিবেদক : প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বল্প সময়ের নোটিশে বিএনপিকে জনসভা আয়োজনের অনুমতি দেয়া হলেও তা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে বলে দাবি করছে দলটি।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ৫ জানুয়ারিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে অভিহিত করে আসছে বিএনপি। আর সেই ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এতে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন। জনসভার পরিধি বামে নাইটিঙ্গেল মোড় এবং ডানে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমাদেরকে স্বল্প সময়ের নোটিশে জনসভার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবু ভালো, এর মধ্য দিয়ে সরকারের এতোটুকু হলেও বোধোদয় হয়েছে। তবে জনগণ বিএনপিকে ভালোবাসে। এজন্য কয়েক ঘণ্টার নোটিশেও তারা জনসভায় উপস্থিত হয়েছে। ফলে জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।’
জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘২৪ ঘণ্টারও কম সময় আগে আমাদেরকে জনসভার অনুমতি দেয়া হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা আগে অনুমতি পেলে শুধু নয়াপল্টন নয়, সারা ঢাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়ে যেতো।’
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘৫ জানুয়ারির একতরফা প্রহসনের নির্বাচন বর্জন করে দেশবাসী এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা এদেরকে আর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চায় না। বিএনপির জনসভায় তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। ফলে জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।’
জনসভায় বিএনপি কতো লোকের সমাগম ঘটাতে চায়, জানতে চাইলে সোমবার রাতে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন,‘বিশাল জনসমাগমের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। তবে এটা সরকারের আচরণের ওপর নির্ভর করছে। সরকার যদি সমাবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাহলে এক ধরনের পরিস্থিতি আর যদি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করলে বিশাল জনসমাগম হবে।’
এ প্রসঙ্গে মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন সুলতানা বলেন, ‘মহিলা দলের পক্ষ থেকে আমরা প্রস্তুতি সভা করেছিলাম। নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেয়া হয়েছিল, সমাবেশে মহিলা দলের সর্বোচ্চ সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে।’
যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক কামরুজ্জামান দুলাল বলেন,‘সমাবেশ সফলে যুবদলের ৫০ হাজার নেতাকর্মী সমাগমের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল।’
স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, ‘কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহানগর উত্তর-দক্ষিণ মিলিয়ে সমাবেশে ৫০ হাজার নেতাকর্মীর সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি ছিল।’ তা সফলও হয়েছে বলে দাবি তার।
ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান বলেন,‘দীর্ঘদিন পর ঢাকার রাজপথে বিএনপির বড় ধরনের শোডাউন ছিল। তাই এতে ছাত্রদলের সর্বোচ্চ উপস্থিতি ছিল। আমাদের ৪০ থেকে ৫০ হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল জনসভায়।’