নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে ১০ হাজার বেইজ স্টেশনের সবগুলোকে থ্রিজিতে রূপান্তর করবে গ্রামীণফোন। এর মাধমে জুনের মধ্যেই সারাদেশই থ্রিজি নেটওয়ার্কের আওতায় আসছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘টেন থাউজেন্ড থ্রিজি স্টেশন বাই জুন ২০১৬’ শীর্ষক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীনফোনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টেলিনর গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রেসিডেন্ট সিগভে ব্রেক্ক এ ঘোষণা দেন। এসময় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব শেঠি উপস্থিত ছিলেন।
সিগভে বলেন, ‘বাংলাদেশে ২০১৩ সালের শেষের দিকে থ্রিজি সেবা চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৮৩১টি বেস স্টেশনকে থ্রিজিতে রূপান্তর করা হয়েছে। এর ফলে বছর শেষে সারাদেশে গ্রামীণফোন এসব সাইটের মাধ্যমে থ্রিজি সেবা প্রদানে কাজ করছে। বাংলাদেশে এখন জিপি নেটওয়ার্কের সেবা গ্রহণ করছে সন্তোষজনক সংখ্যক ব্যবহারকারী। আশা করছি আগামী ৫ বছরের মধ্যে এর চেয়ে দ্বিগুণ হবে এর সংখ্যা।’
তিনি অরো বলেন, ‘এই থ্রিজি সেবা চালুর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি অরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে। ব্যবহারকারীরা তাদের সকল তথ্য দ্রুত আদান প্রদান করতে পারবে। মানুষ আগে জানতই না কিভাবে মোবাইল ব্যবহার করতে হয়। তারা মনেও করেনি এই অল্প সময়ের মধ্যে তাদের হাতে মোবাইল যাবে। তারাও এখন নেট ব্যাবহার করতে পারে। গ্রামীণফোনের মাধ্যমে এটা অল্প সময়ের মধ্যে সম্ভব হয়েছে।’
এখন আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সকল নাগরীকের হাতে ইন্টারনেট পৌছে দেওয়া। বাংলাদেশের এই বাজার যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে পাচ বছরের মধ্যে তা সম্ভাব বলেও জানান সিগভে।
এসময় রাজিব শেঠি বলেন, ‘গ্রামীণ ফোন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ওপর জোর দিয়েছে। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ২০১৫ সালে আমরা উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছি। এবছরের প্রথম প্রান্তিকে আরো ১৭০০ থ্রিজি বেইজ স্টেশন স্থাপন করবো। এ সময়ের মধ্যে আমাদের গ্রাহকদের ৯০ শতাংশ থ্রিজির আওতাধীন হবে। ফলে প্রায় সারাদেশে থ্রিজি নেটওয়ার্ক চলে যাবে।’
দেশজুরে সমভাবে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কথা উল্লেখ করে দহগ্রাম ও গড়াতির মতো সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহল ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে থ্রিজি সেবার দেয়ার কথা বলেন তিনি।

