স্পোর্টস ডেস্ক: শিরোপা জিততে শেষ ৯ বলে কুমিল্লার ভিক্টোরিয়ান্সের দরকার ছিল ২৩ রান। অপরপ্রান্তে কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান না থাকলেও এই রান করাটা অসম্ভব মনে হয়নি অলক কাপালির কাছে। মঙ্গলবার শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরের ফাইনালে শেষ পর্যন্ত ২৮ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। কাপালি এই দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ফাইনাল ম্যাচ জয়ের নায়কও হয়ে থাকলেন। অথচ এই কাপালিই প্লেয়ার বাই চয়েজ পদ্ধতিতে শুরুতে কোনো দল পাননি। পরে মাশরাফির পছন্দে কুমিল্লায় যোগ দেন।
অভিজ্ঞতার ঝুলিকে কাজে লাগিয়ে মাশরাফির আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন অলক কাপালি। ফাইনাল ম্যাচের শেষ দিকে যে চাপ তৈরি হয়েছিল তা সামলে নিয়েছিলেন দুর্দান্তভাবেই। কাপালির ব্যাটে সওয়ার হয়েই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বরিশাল বুলসকে ৩ উইকেটে হারায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
ম্যাচ শেষে কাপালি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস ছিল, শেষ ওভার পর্যন্ত খেলতে পারলে কিছু একটা করতে পারব। উইকেটে বল আসছিল দারুণ। আমার বিশ্বাস ছিল যে, শেষ ওভারে ১৭ রান দরকার হলেও আমি তা পারব।’
কেভন কুপারের করা ১৯তম ওভারের শেষ দুই বলে দুটি চার হাঁকিয়ে লক্ষ্য ১৩ রানে রাখেন অলক। আর ম্যাচের শেষ ওভারের শেষ চার বলে তিনি ১১ রান নিয়ে দলকে জয় এনে দেন। নিজ হাতে দলকে শিরোপা জেতাতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করলেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।
কাপালি বলেন, ‘চেষ্টা করি প্রতিটি ম্যাচে ভালো করার। কিন্তু সব ম্যাচে ওপরে ব্যাট না করায় তেমন কিছু করার সুযোগ ছিল না। ফাইনালে সেই সুযোগ পেয়েছি। সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’

