নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : ফতুল্লার পঞ্চবটিতে এক পুলিশ সদস্য ও ট্রাক স্ট্যান্ডের শ্রমিককে মারধরের ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার দুপুর ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ২ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে পাঠানো হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বেলা সাড়ে ১১টায় মাসদাইর থেকে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় করে পঞ্চবটি যাচ্ছিল আমিনুল ইসলাম। তিনি পঞ্চবটি ট্রাক স্ট্যান্ডের জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। পথিমধ্যে পুলিশ লাইন হতে ওই অটোরিকশায় উঠে পুলিশের কনস্টেবল আজাদ। ওই অটোরিকশায় দুইজন নারী বসা ছিল। এসময় অটোয় বসা নিয়ে আজাদ ও আমিনুলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে আমিনুলকে মারধর করে আজাদ।
ওই খবর পঞ্চবটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সেখানে ট্রাক স্ট্যান্ডের শ্রমিকেরা জড়ো হয়। এসময় আজাদকে মারধর করে স্ট্যান্ডের লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ আসলে শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। প্রায় আধাঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে।
সংঘর্ষে ফতুল্লা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই গোলাম মোস্তফা, এস আই কাদির, কনস্টেবল আজাদ আহত হন। এছাড়া সংঘর্ষে আলামিন, জাকির, এনায়েত, হাসানসহ মোট ১৫ জন আহত হন।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্যের সঙ্গে ট্রাক স্ট্যান্ডের এক শ্রমিক নেতার মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতি ঘটে। ওই ঘটনায় শ্রমিকেরা পুলিশ সদস্যকে মারধর করলে পুলিশ বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। পুলিশ পরে লাঠিচার্জ ও কয়েক রাউন্ড গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

