যশোর প্রতিনিধি : আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে যশোরে বিদ্যুৎ কুমার রায় (৩৫) নামে এক চরমপন্থি নিহত হয়েছেন। অপরদিকে, পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ডাকাত নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে জেলার অভয়নগর উপজেলার রানাগাতি গ্রামের শ্মশানঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বিদ্যুৎ কুমার রায় রানাগাতি গ্রামের সুকুমার রায়ের ছেলে।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জেলার অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাসির উদ্দিন জানান, রাত দুইটার দিকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রানাগাতি শ্মশানঘাট এলাকায় দু’দল চরমপন্থি গোলাগুলিতে লিপ্ত হয়। এ সময় একপক্ষের গুলিতে ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চরমপন্থি বিদ্যুৎ কুমার রায় নিহত হয়। পুলিশ খবর পেয়ে বিদ্যুতের লাশ এবং একটি পাইপগান ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই বিদ্যুতের লাশ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।
নিহত বিদ্যুৎ সর্বহারা দল করতেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরকসহ ৯টি মামলা রয়েছে বলে ওসি জানান।
এদিকে, জেলার সদর উপজেলার রহমতপুর এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞাত পরিচয় (৩০) এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।
বুধবার ভোর রাতে যশোর সদর উপজেলার রহমতপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি করেছে পুলিশ। নিহত এই যুবকসহ তার সঙ্গীরা যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের বাসে ডাকাতি করছিল।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি সিকদার আক্কাস আলী জানান, ভোর রাতে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের রহমতপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির গোপন খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা ও ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পুলিশের দিকে গুলি ছুড়ে। আত্মরক্ষায় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ পেয়ে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
ওসি সিকদার আক্কাস আলী জানান, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি পিস্তল, একটি বড় দা, গাছ কাটার করাত উদ্ধার করেছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের এসআই তোফায়েল আহমেদ, কনস্টেবল সিরাজুল ইসলাম ও রাসেল আহত হয়েছেন।

