আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের বদলে কানাডায় আশ্রয় পাচ্ছে সিরীয় শরনার্থীরা। তবে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অবাধে শরণার্থী প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না কানাডা সরকার। নারী ও শিশুসহ শরণার্থী পরিবারগুলোকেই কেবল প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এ পরিকল্পনার আওতায় কোনো নিঃসঙ্গ শরণার্থী কানাডায় প্রবেশের অনুমতি পাবে না। শরনার্থী প্রবেশ ও কানাডায় তাদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে মঙ্গলবার দেশটির সরকার বিস্তারিত একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে।
সোমবার রাতে প্রাদেশিক নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ‘২৫ হাজার শরণার্থীকে স্বাগত জানানোর ব্যাপারে এবং এ সংকট মোকাবেলায় আমরা সবাই একমত হয়েছি।’ দিনে নয়শ’ করে শরণার্থী প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কানাডা সরকার। এ হিসাবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ২৫ হাজারকে দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। এসব শরণার্থীরা তুরস্ক, জর্দান ও লেবানন হয়ে কানাডায় আসবে। নতুন শরণার্থীদের বেশিরভাগের প্রথম ঠিকানা হবে সেনা ঘাঁটিগুলোয়। ঘাঁটিগুলো এরই মধ্যে তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছে। এছাড়া হোটেল ও পরিত্যক্ত হাসপাতালগুলোও শরণার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি অংঙ্গরাজ্যের গভর্নররা গত সপ্তাহে ঘোষণা দিয়েছেন প্যারিসে হামলার কারণে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় সিরিয়া থেকে আসা শরণার্থীদের তাদের রাজ্যে জায়গা দেওয়া হবে না। তবে গভর্নররা আইনগতভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কিনা সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেছেন, শরণার্থীদের মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধ বিরোধী।

