নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে গত দুইদিনে হত্যা করা হয়েছে তিন বাংলাদেশিকে। এর মধ্যে গতকাল সাতক্ষীরা তালুইয়া সীমান্তে দুজন এবং আজ লালমনিরহাট সীমান্তে একজন বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দীন ও সদস্য সচিব ডা. সামছুল আলম। তারা বলেন, ফেলানী হত্যার বিচার না হলে কোনদিন সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে না।
বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদ করে তারা বলেন, বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি হত্যা সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘনকে ভারতে আধিপত্যবাদী আচরণ। সীমান্তে বারবার বাংলাদেশি হত্যা ও সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন প্রমাণ করে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি ভারত সম্মান দেখাচ্ছে না।
বিবৃতিতে ফেলানীর হত্যাকারী অমিয় ঘোষের ফাঁসি, সীমান্তে হত্যা বন্ধ, মাদকপাচার বন্ধ, তিস্তাসহ সকল অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় ও ভারতের স্বার্থে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।
সংগঠনের নেতারা আরো জানান, নাগরিক পরিষদ ৭ জানুয়ারি সীমান্ত হত্যা বন্ধে বিশ্বব্যাপী ফেলানী দিবস পালনে জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে আবেদন করেছে।

