আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : তিউনিসিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বাসকে লক্ষ্য করে এক আত্মঘাতী তার শরীরের সঙ্গে থাকা বোমা বিস্ফোরণ করেছিল। ওই আত্মঘাতী আইএসের যোদ্ধা। ওই হামলায় ১২ জন প্রাণ হারিয়েছে।
নিরাপত্তা রক্ষীদের বাসে হামলা চালিয়েছিল ইসলামিক স্টেট (আইএস)। জঙ্গি গোষ্ঠীটি ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এর আগে জুনে সাগরতীরে একটি পর্যটন হোটেলে এবং মার্চে বার্দো মিউজিয়ামে হামলা চালিয়েছিল আইএস।
আরব দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে পরিচিত তিউনিসিয়া। তবে ২০১১ সালের পর থেকে দেশটি জঙ্গি গোষ্ঠীর হামলার লক্ষ্যতে পরিণত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হাবিব এসিদ এক জরুরি সভায় জানিয়েছেন, এই হামলাটি জঙ্গি আচরণের একটি বিবর্তন। তারা রাজধানীর কেন্দ্রে এই হামলা চালিয়েছে।
তবে রাজধানীতে এটাই প্রথম আত্মঘাতী হামলা। সোওসুতে একটি বীচে ২০১৩ সালে এক আত্মঘাতী নিজেকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছিল। ইরাক এবং সিরিয়া দখলকারী ইসলামিক স্টেট লিবিয়া এবং তিউনিসিয়ার পূর্বাঞ্চলেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে বুধবার রাজধানী তিউনিসে হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস।
ওই বিবৃতিতে এক ব্যক্তিকে মাথায় স্কার্ফ, সাদা পোশাক এবং তার শরীরে বিস্ফোরক দ্রব্য ছিল। তারা ওই হামলাকারীর নাম জানিয়েছে আবু আবদিল্লাহ তাউনসি। সে তিউনিসিয়ার নাগরিক।

