আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : তুরস্কের সঙ্গে সব ধরনের সামরিক সহযোগিতা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সারজেই লেভরভ তুরস্কে তার সফর বাতিল করেছেন। মঙ্গলবার তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে মঙ্গলবার রাশিয়ার একটি যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করেছিল তুরস্ক। ওই হামলার পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া।
তুরস্কের আকাশ সীমা লঙ্ঘন করায় রাশিয়ার সুখোই সু-২৪ নামের একটি যুদ্ধবিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করেছিল তুরস্ক। এ কারণে প্রচন্ড ক্ষব্ধ হয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি এই ঘটনাকে পেছন থেকে ছুড়িকাঘাতের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।
একটি সংস্থা জানিয়েছে, মঙ্গলবার তুরস্ক-রাশিয়ার সীমান্তে ভূপাতিত যুদ্ধবিমানের দুই পাইলটকে উদ্ধারের জন্য পাঠানো একটি হেলিকপ্টারেও গুলি করা হয়েছিল।কর্তৃপক্ষ তাদের জনগণকে তুরস্কে ভ্রমণের ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তারা জানিয়েছে, তুরস্কে ভ্রমণ তাদের জন্য নিরাপদ নয়। যুদ্ধবিমানটি সিরিয়ার লাটাকিয়া ইয়ামেদি গ্রামে ভূপাতিত হয়েছিল।
তবে তুরস্ক বলছে বার বার সতর্ক করার পরেও রাশিয়ার বিমানটি তাদের আকাশ সীমা লঙ্ঘন করেছিল। এটা তাদের দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আর আন্তর্জাতিক অধিকার এবং জাতীয় দায়িত্ব থেকেই তারা আকাশ সীমা লঙ্ঘনকারী ওই যুদ্ধ বিমানটিকে গুলি করেছিল।
তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী আহমেত দেভাতোগলু এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সবার জানা উচিত জাতীয় স্বার্থে স্থলে বা আকাশ সীমা কেউ লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা আমাদের আর্ন্তজাতিক অধিকার।’

