ঢাকাWednesday , 18 November 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গণজাগরণের আনন্দ মিছিল

Link Copied!

Gonojagoronনিজস্ব প্রতিবেদক : একাত্তরের মানবতাবিরোধী জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর আবেদনের রায় খারিজ করায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আনন্দ মিছিল করেছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণার পর গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে অবস্থান নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছেন। কিছুক্ষণ পরে তার আনন্দ মিছিলও বের করেন।
রায়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘আজকে যুদ্ধাপরাধীর যে রিভিউর নিষ্পত্তি হল, এ রিভিউ নিষ্পত্তির মাধ্যমে এ দুই জন যুদ্ধাপরাধীর রায় কার্যকরে আর কোন আইনগত বাধা নেই। আমরা প্রত্যাশা করছি তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ডের যে পরোয়ানা জারি হয়ে আছে তা যথা সম্ভব দ্রুত কার্যকর করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এ রায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষের প্রত্যাশা-আকাক্সক্ষা যে এ যুদ্ধাপরাধীদের রায়ের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠা করবো। আমি মনে করি এ রায়ের মাধ্যমে সেটি সম্ভব হলো এবং এ রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের চুড়ান্ত বিজয় আমরা অর্জন করবো।’
ইতোপূর্বে রায় কার্যকরে কালক্ষেপণের কথা উল্লেখ করে ইমরান বলেন, ‘ইতোপূর্বে যেভাবে কালক্ষেপণ হয়েছে এখন আর রায় কার্যকরে আর কোন কালক্ষেপণ না করে এ রায় কার্যকর করবে সরকার সেটাই আমরা প্রত্যাশা করি।’
তিনি বলেন, ‘এ রায়ে আমরা যেমন খুশি হয়েছি, বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ খুশি হয়েছে। এ রায় কার্যকরে বিলম্বিত হওয়ায় অর্থাৎ রায়ের পর আপিল বিভাগকে এবং রিভিউতে বিলম্ব হওয়ার মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে একটা হতাশা ছিল।  এ রায়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে নতুনভাবে আশার সঞ্চারিত হলো এবং তারা মনে করে এ রায় কার্যকরের ব্যপারে সরকার এবং আমাদের বিচার বিভাগ তৎপর রয়েছে।’
তবে এ রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে বিকেল ৪টায় শাহবাগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশেরও ডাক দিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ।
সকালের এই রায়ে দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দণ্ড বহাল রইলো। এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমাই তাদের একমাত্র পথ। এ রায়ের অন্য বিচারপতিরা হচ্ছেন, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
৩০ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর দণ্ড থেকে বাঁচতে সাকা-মুজাহিদের সামনে খোলা ছিল রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনের পথ। ওইদিন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরেক আসামি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর সঙ্গে মুজাহিদের মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন আপিল বিভাগ। এরপর দুজনের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিই একসঙ্গে যায় ট্রাইব্যুনালে। এরপর ১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল মৃত্যু পরোয়ানা জারি করলে তা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে দেয়া হয়।
নিয়ম অনুসারে সে থেকে নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যেই রিভিউ আবেদন করেন মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরী। এ রিভিউ আবেদনও খারিজ করে দিলেন আপিল বিভাগ। এখন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাইলে দু’জনেরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আর কোনো বাধা থাকবে না।