নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মহাখালীতে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় র্যাবের দুই সদস্যও আহত হয়েছেন। র্যাবের দাবি, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হাবিবুর রহমান সুমন ওরফে ব্যাংকক সুমন (৩৫) একজন তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন, দুটো ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মহাখালীর সাততলা বস্তির আইপিএস পুকুরপাড় এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। সকালে র্যাব সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাবের বরাত দিয়ে বনানী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাক আহমেদ জানান, রাতে সাততলা বস্তির পুকুর পাড়ে র্যাব-১ এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে হাবিবুর রহমান সুমন ওরফে ব্যাংকক সুমন নিহত হন। এর পর র্যাব বনানী থানায় তার মরদেহ হস্তান্তর করে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাক আহমেদ।
এদিকে, হাসপতালে হাবিবুর রহমান ওরফে ব্যাংকক সুমনের মা বেবি বেগম জানিয়েছেন, টেলিভিশনে ক্রসফায়ারে মৃত্যুর সংবাদ দেখে ঢামেকে এসে ছেলের লাশ শনাক্ত করেছেন তারা।
তিনি জানান, টঙ্গি বোর্ডবাজার এলাকায় তার বাড়ি। তিনি মাহখালীতে স্ত্রী সন্তানসহ থাকতেন। তার বাবার নাম মকবুল হোসেন। গত ৫ অক্টোবর গাজীপুর বোর্ডবাজার এলাকা থেকে সাদা পোশাকধারী কিছু লোক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয় দিয়ে তার ছেলেকে তুলে নিয়ে যায়। সেই থেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি।
মা বেবি বেগম সাংবাদিকদের বলেন, হত্যা মামলাসহ কয়েকটা মামলা ছিল তার ছেলের নামে। কিন্তু তাই বলে তাকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করা হবে, সেটা কোন আইন?

