নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে দায়ের করা গাড়ি পোড়ানো ও নাশকতার তিন মামলায় হাইকোর্টের দেয়া রুলের শুনানি আগামী ৯ নভেম্বর।
বৃহস্পতিবার সকালে বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
মির্জা ফখরুলের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকোট জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ফজলুর রহমান খান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিওন।
তার আগে গত ২ নভেম্বর মির্জা ফখরুলকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। পরের দিন ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার মির্জা ফখরুল নিম্ন (বিচারিক) আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। তিনি এখন কাশিমপুর কারাগারে আছেন বলে জানান তার আইনজীবী।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ হোসেন জামিন আবেদনের শুনানি শেষে ওই আদেশ দেন। এদিন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশে ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বছরপূর্তিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। এরপর ১৪ জুলাই জামিনে মুক্তি পান তিনি। আদালতের আজকের নির্দেশের মধ্যে দিয়ে চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো কারাগারে যেতে হচ্ছে ফখরুলকে।
পল্টন থানার নাশকতার তিন মামলায় গতকাল আপিল বিভাগ বিএনপির এ নেতাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন। ফখরুলের করা জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে দিয়ে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ গতকাল ওই আদেশ দিয়েছিলেন।
একইসঙ্গে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মামলায় হাইকোর্টে দেয়া রুল নিষ্পত্তি করতে বলেন আদালত।
গত ২৮ অক্টোবর গাড়ি পোড়ানো ও নাশকতার তিন মামলায় বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে সুপ্রিমকোর্টে আট সপ্তাহ সময়ের প্রার্থনা করেছিলেন বিএনপির এই নেতা।

