নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের যৌক্তিক মূল্য বজায় রাখতে গত ১৪ অক্টোবর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার প্রধান ওমর ফারুক চৌধুরী। সভায় ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ, উৎপাদক, আড়তদার, পোল্ট্রি ব্যবসায়ী, মৎস্য ব্যবসায়ী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা মোরগ-মুরগি ও মাছের বিপণন ব্যবস্থা, মূল্য বিস্তৃতি, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে মূল্যের পার্থক্য হ্রাসপূর্বক যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। সভায় জাতীয় পর্যায়ে মোরগ-মুরগী ও মাছের উৎপাদন খরচ, বিপণন মূল্য বিস্তৃতি, পাইকারি ও খুচরা বাজার দর যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা, বাজার মনিটরিংয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়, বাজার মূল্য প্রদর্শন, বাজারদর সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে সমিতি সমূহের ভূমিকা, মাছ-মুরগীসহ কিছু কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির পরিমাপ বাস্তবায়ন করাসহ বেশকিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ ছাড়া, অনলাইন বাজার দর প্রদর্শনের জন্য এলইডি ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন ও পরিচালনা প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়। এর পাশাপাশি পরিবহন ক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যা ও এর সমাধান এবং উৎপাদক পর্যায় হতে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে মূল্য নির্ধারণ প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়।
সভায় ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের যৌক্তিক মূল্য যাতে বজায় থাকে সে লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করা হয়। বিস্তারিত আলোচনা শেষে উৎপাদন খরচ ও বিপণন ব্যয় পর্যালোচনা করে পাইকারি পর্যায়ে ৩-৫ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে পাইকারি মূল্যের সাথে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ মুনাফা সংযোজন করে ক্রয়-বিক্রয়ে জন্য অনুরোধ জানানো হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যৌক্তিকমূল্য বাস্তবায়ন করা হলে কৃষক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সকলেই উপকৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

