নেত্রকোনা প্রতিনিধি : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশে জঙ্গিবাদের মদদদাতা। তার আমলে দেশে জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের জঙ্গিদের নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এ কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, জাপান ও ইতালীর নাগরিক হত্যা আকস্মিক কোনো ঘটনা নয়। এই দুই হত্যাকাণ্ডই পরিকল্পিত। তাদের এ অপচেষ্টা কোনো কাজেই আসবে না। খালেদা জিয়া দেশকে বিশ্বের দরবারে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন। খালেদা জিয়ার আগুনের যুদ্ধ থেমে গেছে। তিনি দেশের সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছেন। এ জন্য তিনি এখনো দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাননি। তবে তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। বর্তমান সরকার দেশ উন্নয়নের কাজ করে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। এই সরকারের আমলেই সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও বিচারের রায় কার্যকর করা হবে।
শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় নেত্রকোনা সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এ কথা বলেন।
ইনু বলেন, শেখ হাসিনার সরকার দেশে সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছে। দেশে প্রায় ১২০০ সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। এ সরকারের আমলেই ৬০০ সংবাদপত্র আত্মপ্রকাশ করেছে। অবাধ স্বাধীনতা পেয়ে অনেকে অপসাংবাদিকতা এবং খণ্ডিত সংবাদ প্রকাশ করে। যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি স্বরূপ। এই অপসাংবাদিকতা থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।তিনি আরো বলেন, জেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে অনিয়মের বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে সাংবাদিকদেরকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
এ সময় সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, প্রাক্তন সংসদ সদস্য মঞ্জুর কাদের কোরাইশী, জেলা প্রশাসক ড. তরুণ কান্তি শিকদার, পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মুখলেছুর রহমান মুক্তাদির, নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, সম্পাদক এম মুখলেছুর রহমান খান, প্রাক্তন সম্পাদক শ্যামলেন্দু পালসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

