সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের বেতলা মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরা হলেন- সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার মাঝপারুলিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সেলিম খান (২৮), শ্যামনগর উপজেলার নাটুয়ার বেড় গ্রামের আফছার উদ্দিনের স্ত্রী আয়তুন্নেছা (৫০), কালীগঞ্জ উপজেলার কাটাখালি গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে আব্দুল লতিফ (২৮), একই উপজেলার চরদহ গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে লিউচান (২৯), তার ছেলে রাজ হোসেন (৩), একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সামছুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী মাজিদা বেগম (২৭), তার ছেলে আল আমিন (২৪), খালেক সরদারের ছেলে জসীমউদ্দিন (২২), গোয়ালপোতা গ্রামের আব্দুল হাই এর ছেলে নজরুল ইসলাম (২৮), কুশুলিয়া গ্রামের সোহাগ হোসেনের স্ত্রী বন্যা (২৫), গড়ইমহল গ্রামের আব্দুল গফফারের স্ত্রী সাহারা খাতুন (৪০), রমজান আলীর মেয়ে রিয়া খাতুন (৪), আল আমিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৫), ফতেপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে আল আমিন (২৬), মেহেদী হাসানের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৪২), যশোর জেলা বাঘারপাড়া উপজেলার গোপালনগর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে জসীমউদ্দিন (২৮), যশোর সদরের আরিফপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুস সালাম (১৪), একই জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার কুমদি গ্রামের মনিরুজ্জামান মোল্লার ছেলে ইমরান হোসেন (৩০), শার্শা উপজেলার পুটখালি গ্রামের লিটন হোসেনের স্ত্রী রুমা খাতুন (২৫), আশাশুনি উপজেলার কাকড়াবুনিয়া গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে তারিন হোসেন (২৯), সদর উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে ছিদ্দিকুর রহমান (২৪), সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুরের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী মেহেরুন্নেছা (৪২), একই উপজেলার আলীপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে রওশন আলী (৩৭), কলারোয়া উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের আক্কাজ আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩৫) ও একই গ্রামের মেহের আলী মোড়লের ছেলে লিটন হোসেন (৩০)। বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি।
আহতরা জানান, বেলা পৌনে ১১টার দিকে তারা সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে যশোরগামী একটি বাসে ওঠেন। বাসটি বেতলার মোড় এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারায়। ফলে বাসটি উল্টে যমুনা সাইন্টিফিক হ্যাজারি অ্যান্ড ফিশারিজের সাইন বোর্ডের বাম দিকে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ৪০ জনেরও বেশি যাত্রী আহত হন। পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা তাদের উদ্ধার করা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করে। তবে চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে গেছেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. আজমল হোসেন জানান, আহতদের মধ্যে একটি শিশু, দুই নারীসহ পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজক।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল হক শেখ জানান, দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি ক্রেনের মাধ্যমে তোলা হয়েছে।

