কক্সবাজার প্রতিনিধি : বিভিন্ন দেশে সমুদ্রপথে মানবপাচারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পর এবার ইয়াবা ব্যবসায় নেমেছে রোহিঙ্গারা। মিয়ানমারের জনগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃত এসব মানুষ বাংলাদেশের যেমন ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে তেমনি বিদেশেও বাংলাদেশর ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করছে। পাসপোর্ট জালিয়াতি করে তারা সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে প্রবেশ করে জড়িয়ে পাড়ছে নানা অপরাধে। ফলে নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দুর্নাম হচ্ছে বাংলাদেশের।
এমনসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পর সবশেষ রোহিঙ্গাদের মধ্যে কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ে মানবপাচারে। এরই মধ্যে এমন বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও পুলিশ। তারা এখন করাগারে রয়েছে।
মানবপাচার রোধে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতার কারণে এখন মানবপাচার অনেকটা বন্ধ হয়েছে। তাবে নতুন করে ইয়াবা ব্যবসায় নেমেছে অপরাধী চক্রে থাকা রোহিঙ্গারা।
কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা থেকে এমনই ৩ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে পুলিশ। সেইসঙ্গে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১০ হাজার ইয়াবা। যার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গেল ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত ১১টার দিকে লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যা ইয়াবাসহ ওই ৩ রোহিঙ্গাকে আটক করে। তারা হলেন- নুরুল আলমের ছেলে আবদুর রহমান (৩৭), আবুল হোসেনের ২ ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল (৩০) ও আবু ছিদ্দিক (২৮)।
এ ব্যাপারে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার জানিয়েছেন, লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরা ৩ রোহিঙ্গার ব্যাগ তল্লাশি চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে তাদের আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হবে।

