ঢাকাWednesday , 2 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ সন্ত্রাসী জিরা সুমন নিহত

Link Copied!

Bondukকুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কুমিল্লার শীর্ষ সন্ত্রাসী বেলাল হোসেন ওরফে জিরা সুমন নিহত ও আহত হয়েছেন অপর সহযোগী জামাল। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূইয়াসহ ৫ পুলিশও আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার রাত পৌনে ২টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
নিহত জিরা সুমন নগরীর অশোকতলা এলাকার শাহজাহান সাজুর ছেলে। তিনি কুমিল্লা জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী তার নামে বিভিন্ন থানায় অন্তত ২ ডজন মামলা রয়েছে।
কুমিল্লার গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ হোসেন জানান, রাত পৌনে ২টার দিকে কুমিল্লার পালপাড়া ব্রিজ এলাকায় থেকে জামাল, সহিদ, স্বপন ও জাকির নামে জিরা সুমনের ৪ সহযোগীকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে থেকে ১টি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি এবং ৩টি এলজি উদ্ধার করা হয়।
এরপর কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী আশরাফের নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম ব্রাহ্মণপাড়া থেকে অভিযান চালিয়ে শহরে ফেরার পথে কুমিল্লা-বুড়িচং সড়কের গোমতী নদী তীরবর্তী পালপাড়া ব্রিজ এলাকায় পৌঁছাতেই জিরা ডাকাত  দলের ব্যারিকেডের মধ্যে পড়ে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির এক পর্যায়ে ডাকাত দলের দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জিরা সুমন নামে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূইয়াসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বছর নভেম্বর মাসে কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ হোসেন নগরীর জিরা সুমনের অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত হন। গত বছরের ৬ নভেম্বর দুপুরে কুমিল্লা মহানগরীর ঝাউতলায় জিরা সুমনকে আটক করতে গিয়ে গুলিতে আহত হন ডিবির এসআই ফিরোজ হোসেন। এ সময় জিরা সুমনের বাহিনী এসআই ফিরোজের সরকারি পিস্তল লুটে নেয়। পরে ৯ নভেম্বর সকালে সদর উপজেলার আলেখারচর এলাকায় জিরা সুমনের সহযোগীদের আটক করতে গিয়ে ডিবি পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গুলিবিনিময়ের সময় নিহত হয় জিরা সুমনের সহযোগী তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাব্বী ও জনি। এ ঘটনার পর থেকে জিরা সুমনকে আটক করতে ডিবি ও থানা পুলিশের কয়েকটি টিম দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিল।