ঢাকাTuesday , 25 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

Link Copied!

KuriGram-floodকুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্রের পানি ৮ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
৯ উপজেলার ৫৫টি ইউনিয়নের প্রায় পৌনে দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন। তারা বসতবাড়ি ছেড়ে গবাদি পশু নিয়ে পাকা রাস্তা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট।
এদিকে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে প্রায় দেড়শ’ কিলোমিটার কাঁচা, ২৫ কিলোমিটার পাকা সড়ক এবং ১৫টি ব্রিজ ক্ষতিগস্ত হওয়ায় গ্রামাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এসব এলাকার মানুষের এখন একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম নৌকা ও কলাগাছের ভেলা।
বানভাসি মানুষের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে গত রোববার ৮০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। দুঃখের বিষয় হলো এখনও বন্যার্তদের মাঝে বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ শুরু হয়নি।
উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মজিরন বেওয়া বলেন, ‘বন্যার পানিতে সব শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে বাঁধের মধ্যে আছি। খাওয়া-দাওয়া নাই। কেউ আমাদের খোঁজ নেয় না।’
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান জানান, বন্যার পানি সামান্য হ্রাস পেলেও বন্যা কবলিত মানুষজন এখনও পানিবন্দি জীবন যাপন করছেন। বন্যার্তদের মাঝে এখনও ত্রাণের চাল বিতরণ শুরু হয়নি।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, বন্যার্তদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল মঙ্গলবার বিতরণ শুরু হবে। পাশাপাশি বুধবার থেকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।
কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, গত পাঁচদিন ধরে বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে আছে জেলার প্রায় ৪৬ হাজার হেক্টর জমির আমনখেত।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৩ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং সেতু পয়েন্টে ধরলার নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।