ঢাকাTuesday , 25 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আরজু হত্যা: বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

Link Copied!

arjuনিজস্ব প্রতিবেদক : হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আরজু হত্যায় র‌্যাবের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার সকালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার মাহমুদ আদনান এই নির্দেশ দেন।
গত রোববার র‌্যাব-২ এর সিওসহ মোট ৪জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন আরজুর বড় ভাই মো. মাসুদ রানা।
ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে বাদি এই মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন, র‌্যাব-২ এর সিও কর্নেল মাসুদ রানা, ডিএডি শাহিদুর রহমান, ইন্সপেক্টর ওয়াহিদ ও সোর্স রতন। এছাড়া অজ্ঞাতানামা আরও কয়েক জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, ক্রসফায়ারে নিহত আরজুর আচার ব্যবহার, চালচলন, রাজনৈতিক কার্যক্রম ও এলাকায় তার সৎ গুণাবলীর কারণে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী ও ষড়যন্ত্রকারী ঈর্ষান্বিত হয়ে সোর্স রতনের সহযোগিতা ও পরিকল্পনায় আসামিরা তার ভাইকে হাজারীবাগ পার্কের সামনের রাস্তার ওপর থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এরপর বাদী হাজারীবাগ থানায় গিয়ে খোঁজখবর নেয়ার চেষ্টা করেন এবং কোনো সন্ধান বের করতে পারেননি। দীর্ঘ সময় পর পুলিশ বাদীর মা ও বোনকে জানায় ক্রসফায়ারে নিহত আরজু তাদের (র‌্যাব-২) হেফাজতে আছে।
পরদিন বাদী লোকমুখে শুনতে পান হাজারীবাগ থানাধীন সিকদার মেডিকেল কলেজের পেছনে তার ভাইয়ের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে আছে। বাদী ওই স্থানে গিয়ে জানতে পারেন লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছে। অতঃপর বাদী ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে তার ভাইকে শনাক্ত করেন।
র‌্যাবের হাতে কথিত ক্রসফায়ারে আরজুর নিহত হওয়ার ঘটনাকে বাদী একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এজন্য তিনি হাজারীবাগ থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা নেয়নি। সেজন্য তিনি আদালতে মামলা করেন।
বাদীর দাবি, তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে কোনো মামলা মোকদ্দমা ছিল না। সে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীও নয়। তার বিরুদ্ধে কিশোর রাজা মিয়া হ্ত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ সত্য নয়।
বাদী র‌্যাবের হাতে তার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডকে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করে এ ঘটনাকে বেআইনি, মানবতাবিরোধি ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে জানিয়েছেন।
বাদীর তার অভিযোগটি সিআইডি পুলিশকে দিয়ে তদন্ত করিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে সাক্ষ্য প্রমাণাদি শেষে অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের জন্য বিচারকের কাছে প্রার্থনা জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, মোবাইল ও ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ এনে ১৭ আগস্ট হাজারীবাগের গণকটুলীর বাসিন্দা রাজাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। রাজার পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ও ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে সোমবার রাজাকে পিটিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় বাসার সামনে ফেলে যান আরজু। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. আরজুকে আটক করে ঘটনার দিন রাতে র‌্যাব-২ এর একটি টহলদল অভিযানে যায়। রাত সাড়ে ৩টার দিকে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরজু নিহত হন।