মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর-ডবলছড়া রাস্তায় গণধর্ষণের শিকার চা শ্রমিক সন্তান খাসিয়া পুঞ্জির স্কুল শিক্ষিকা আতঙ্কে আর কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। কর্মস্থলে না যাওয়ায় অর্থকষ্টে অর্ধাহারে অনাহারে দিনযাপন করে হন্যে হয়ে নতুন কাজ খুঁজছেন নির্যাতিতা শিক্ষিকা।
ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জির ধর্ষিতা এই শিক্ষিকা জানান, ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জিতে তিনি স্কুল শিক্ষিকা ও স্বামী পান বিক্রির হিসাব রাখার কাজ করতেন। গত ৩ জুন রাতে ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তার অভাবে ও আতঙ্কে তিনি (স্কুল শিক্ষিকা) আর ডবলছড়ার পাহাড়ি এলাকার কাজে যাননি।
এদিকে তার স্বামী রগো জ্যোতি লস্করও (ছদ্ম নাম) ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জির কর্মস্থলে যাচ্ছেন না বলে এখন তারা দারুন অর্থ কষ্টে ভোগছেন। ফলে অর্ধাহারে ও অনাহারে দিনযাপন করতে হচ্ছে আদিবাসী এ পরিবারটিকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চা শ্রমিক জানান, শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ বিষয়টি ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। আর এ পরিকল্পনার মূলে ছিলেন রফিক মিয়া নামের এক ব্যক্তি। তবে একজন প্রভাবশালী খাসিয়া আদিবাসী নেতার নিজস্ব লোক রফিক মিয়া বলে তাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই শিক্ষিকা জানান, পুলিশ এখনো রফিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি বলে পরবর্তী হামলার আশঙ্কায় তিনি ডবলছড়ার কর্মস্থলে যেতে চাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এনামুল হক বলেন, ‘আসলে স্কুল শিক্ষিকা যে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বা আতঙ্কে আছেন এ সম্পর্কে তিনি পুলিশকে অবহিত করেননি। তারপরও পুলিশ তার নিরাপত্তা বিধানে সচেষ্ট থাকবে।’

