বান্দরবান প্রতিনিধি : গত দুই দিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে প্রায় ২৫ হাজার পরিবার। এতে আবারও পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বান্দরবান শহরের বনরুপা পাড়া, ছিদ্দিক নগর, হাফেজঘোনা, লাঙ্গিপাড়া, বালাঘাটা, কালাঘাটা, ইসলামপুর, নোয়াপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শতাধিক পারিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। এসব এলাকায় পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ করায় টানা ২-৩ দিন বৃষ্টি হলেই পাহাড় ধস ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকে।
এছাড়া বান্দরবানের দক্ষিণাঞ্চল লামা, আজিজনগর, ফাঁসিয়াখালী, ফাইতং, গজালিয়া, রুপসীপাড়া, রোয়াংছড়ি, নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম এলাকায়ও পাহাড়ের পাদদেশে নতুন নতুন বসতবাড়ি বেড়ে যাওয়ায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।
এদিকে, গত দুই দিন থেকে টানা বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বিভিন্ন ঝিরি-ছড়া দিয়ে পানি প্রবেশ করে শহরের নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরী জানান, দুই এক দিন বৃষ্টি হলেই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো থেকে লোকজনকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়। এবারও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো থেকে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সরকারি-বেসরকারি স্কুলগুলোতে আশ্রয়কেন্দ্র খোলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

