ঢাকাSunday , 16 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজন হত্যায় ১৩ জনকে আসামি করে পুলিশের চার্জশিট

Link Copied!

rajonসিলেট প্রতিনিধি : সিলেটে শিশু রাজন হত্যা মামলায় ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ। সোমবার সিলেট মহানগর হাকিম আদালত-১-এ এই চার্জশিট দাখিল করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েনদা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদার। ঘটনার পর দেড় মাসের কিছু কম সময়ের মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করে চার্জশিটটি দিলেন সুরঞ্জিত।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমশিনার রহমতউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগপত্রে সৌদি আরব পুলিশের হাতে বন্দি কামরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তবে তাকে পলাতক উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি পুলিশের হাতে বন্দিী কামরুলকে কবে নাগাদ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে,  সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।
মামলার বাকি আসামিরা হলেন- কামরুলের ভাই আলী হায়দার, মুহিদ আলম, মুহিদের স্ত্রী লিপি বেগম, লিপির ভাই ইসমাইল হেসেন আবলুস, ময়না চৌকিদার, রুহুল আমিন, তাজ উদ্দিন আহমেদ বাদল, দুলাল আহমেদ, নূর মিয়া, ফিরোজ মিয়া, আজমত উল্লাহ ও আয়াজ আলী।
গেল বুধবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রাজন হত্যা মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।
গত ৮ জুলাই সিলেট নগরীর কুমারগাঁওয়ে শিশু সামিউল আলম রাজনকে চুরির অভিযোগে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। নির্মমভাবে পেটানোর দৃশ্য ভিডিও করেন হত্যাকারীদের সহযোগীরা। তারা নিজেরাই সেই ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেন।
নির্মমভাবে পিটিয়ে রাজনকে হত্যার পর তার লাশ গুম করার চেষ্টা করার সময় জনতার সহায়তায় পুলিশের হাতে আটক হন মুহিদ আলম।
রাজনকে পেটানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ও গণমাধ্যমগুলো বিষয়টি নিয়ে সরব হলে তোলপাড় শুরু হয় সারা দেশে। এর মধ্যে মুহিদের ভাই সৌদি প্রবাসী কামরুল যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন এমন নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তিনি পালিয়ে যান। ১৩ জুলাই তাকে সৌদি প্রবাসীরা আটক করেন। প্রায় এই সময়ে সিলেটে আটক হন মুহিদের স্ত্রী পপি বেগম। মুহিদের নিজ বাড়ি শেখপাড়া এলাকা থেকে পপিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজনকে হত্যার বর্বরোচিত ঘটনার প্রতিবাদ আসে সমাজের সব মহল থেকে। মূলত প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ১৪ জুলাই দুপুরে রাজনের শহর সিলেটেও ঘটনার প্রতিবাদে ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বেশ বড়সড় একটা সমাবেশ হয়। হাজারো মানুষ এতে যোগ দেন। এ সমাবেশ থেকে শিশু রাজন হত্যকাণ্ডের বিচারকার্যের জন্য ৯০ দিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয়।
নিহত সামিউল আলম রাজনের বাড়ি সিলেট নগরীর কুমারগাঁও বাস স্ট্যান্ডের পাশে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদে আলী গ্রামে। সামিউলের বাবা শেখ আজিজুর রহমান পেশায় একজন প্রাইভেটকারচালক। তার দুই ছেলের মধ্যে রাজনই ছিল বড়।