ঢাকাWednesday , 12 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

Link Copied!

Bholaভোলা প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাশনের ১৯টি স্কুল ও মাদরাসার প্রধানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে ৪৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী  নিয়োগ ও শিক্ষকের বিল বেতন করানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন আকন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সামালগীর আলমের উপস্থিতে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিদের নিয়ে রুদ্ধদার সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এসব অনিয়ম যাচাই বাচাই করার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
অনিয়মের অভিযোগ উঠা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৭টি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১১টি মাদরাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের সিল-সই জাল করে গোপনে এসব নিয়োগ সম্পন্ন করেছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামোর প্রাপ্যতার সীমা অতিক্রম করে অতিরিক্ত কোঠায় এসব শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দেখিয়ে ডিজির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের ম্যানেজ করে এমপিওভুক্তির আদেশ নিয়ে এসেছেন। ডিজিতে কর্মচারী শিক্ষক নির্বিশেষে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা উপরি দিয়ে এসব বিল বেতন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সর্বশেষে এমপিওতে এসব বিল বেতনের তালিকা আসলে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। ব্যাপক তোলপাড়ের মুখে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস মৌখিক আদেশ দিয়ে অভিযুক্ত ১৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক -কর্মচারীদের চলতি বিল প্রদান স্থগিত রাখতে রুপালী ব্যাংক চরফ্যাশন শাখাকে নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যেই সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় তার সভাকক্ষে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও মাদরাসা শিক্ষক নেতাদের রুদ্ধদার সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গোপনে নিয়োগ দিয়ে নতুন করে এমপিওভুক্ত ৪৫ জন শিক্ষক কর্মচারীর বিল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই ৪৫ জন ছাড়া অন্যান্য শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনভাতা ছাড় দেয়ার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯টি প্রতিষ্ঠানের আগের দাখিলকৃত বিল ব্যাংক থেকে গতকাল প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মাধ্যামিক শিক্ষা অফিসার সামালগীর আলম বলেন, ‘অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলো যাচাই-বাচাই করা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন আকন বলেন, ‘অভিযোগগুলো যাচাই-বাচাই করার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’