নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ভাটারার নয়ানগরে আদিবাসী শিশু স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি আল আমিন (২২) মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবাববন্দি দিয়েছেন। এর আগে গত রোববার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে ভাটারা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের নির্দেশে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়।গতকাল মঙ্গলবার আল আমিনকে আদালতে হাজির করলে সে জবানবন্দি দেয়। আল আমিন আদালতে বলেছে, প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে সে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য জানা গেছে।
ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ নুররুল মোত্তাকিন বাংলামেইলকে বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর এই মামলার আমামিকে গ্রেপ্তারের পর সে অপরাধ স্বীকার করেছে। গতকাল মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মেহেদী হাসান জানান, গত রোববার আল আমিনকে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনা হয়। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এই রিমান্ড চলাকালে আল আমিন জ্ঞিাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করেছে। সে জানিয়েছে, এক মাস আগে গারো মেয়েটির সঙ্গে কৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে আল আমিন। ঘটনার দিন একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুর রহমানের আদালতে হাজির করলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
প্রসঙ্গত, গত ৪ আগস্ট ভাটারার নয়নাগরে স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে (১৩) স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী আল আমিন। আদিবাসী ওই মেয়েটির মা ভাটারা থানায় মামলা দায়ের করেন। ৪ আগস্ট রাতেই শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। শিশুটি এখনো চিকিৎসাধীন আছে।

