ঢাকাTuesday , 4 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মিলন হত্যা নিয়ে কাজ করছে মানবাধিকার কমিশন

Link Copied!

milonসিলেট প্রতিনিধি : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের কিশোর শামছুদ্দিন মিলন হত্যা নিয়ে মানবাধিকার কমিশন কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।
মঙ্গলবার সকালে সিলেটের শিশু সামিউল আলাম রাজনের গ্রামের বাড়ি বাদেআলীতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
মিজানুর রহমান মিলন হত্যাকে ফৌজদারি অপরাধ উল্লেখ করে বলেন, ‘এ অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো দফারফা হতে পারে না। এটি আইনের লঙ্ঘন।’
মানবাধিকার কমিশন মিলন হত্যার সুষ্ট বিচারের বাদিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কড়া চিঠি দিয়েছে জানিয়ে ড. মিজান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ২৭ জুলাই সকালে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারের তিন রাস্তার মোড় নামক স্থানে কোম্পানীগঞ্জ থানার তৎকালীন এসআই আকরাম উদ্দীন শেখ, কনস্টেবল আব্দুর রহিম ও হেমা রঞ্জন চাকমা ডাকাত আখ্যা দিয়ে শিশু মিলনকে হত্যার উদ্দেশ্যে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেন।
পরে স্থানীয় জনতা তাকে নির্মম এবং নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। এ সময় তার কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা ও দামি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয় তারা।
পরবর্তীতে চাঞ্চল্যকর এ হত্যার ঘটনার মুঠোফোনে তোলা দূর্লভ ভিডিও ফুটেজ ও ছবি টিভিতে প্রচার হলে দেশে-বিদেশে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। নিহত মিলনের মা কহিনূর বেগম পিটিশন আকারে দুই জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে এটিকে হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়।
এ মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় নোয়াখালী গোয়ান্দা পুলিশের ওসি মো. আতাউর রহমান ভূঁইয়াকে।
ডিবি পুলিশ হত্যার ভিডিও ফুটেজ দেখে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাত জনকে আটক করলেও ঘটনার মূলহোতা এসআই আকরাম উদ্দীন শেখ, কনস্টেবল আব্দুর রহিম ও হেমা রঞ্জন চাকমাসহ পুলিশ সদস্যদের আটক করেনি।
তবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৎকালীন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি রফিক উল্ল্যাহ, এসআই আকরাম উদ্দীন শেখ, কনস্টেবল আব্দুর রহিম ও হেমা রঞ্জন চাকমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও এক বছরের মধ্যে তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়। বর্তমানে তারা ওই পদে বহাল রয়েছেন।