ঢাকাMonday , 3 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত শিক্ষকসহ আটক ৯

Link Copied!

Question-outনিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তারা সবাই শিক্ষক এবং ছাত্র। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সুমন আহম্মেদ, আ. রহমান, আ. রহমান ওরফে লিটন, এসএম তানভীর আলম ওরফে রিজভী, জনি রহমান ও আরাফাত হোসেন। তারা যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও যশোরে অবস্থিত একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র।
অন্যতিকে ডেমরা থেকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন নাজমুল, হাসান ও কামরুল। তারা সবাই ডেমরায় গোলাম মোস্তফা মডেল কলেজ শিক্ষক।
সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে অায়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসরাম জানান, গত রোববার এই ৩ শিক্ষক ও ৬ ছাত্রকে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি জানান, তাদের কাছ থেকে ইন্টারনেট (ওয়েবসাইট ও ফেসবুক) পরিচালনা ও প্রশ্নপত্র আদান-প্রদান করার কাজে ব্যবহৃত ১টি সিম্ফনি ট্যাব, ৬টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল সেট (যার মেমোরিতে প্রশ্নপত্র পাওয়া গেছে) উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত প্রশ্নপত্র গুলোমধ্যে রয়েছে ৫ম ও ৭ম পর্ব সমাপনী এবং ৬ষ্ঠ পর্ব পরিপূরক পরীক্ষা-২০১৫ এর ক. প্রোগ্রামিং ইন সি (পরীক্ষার তারিখ-০২ আগস্ট ২০১৫) ও খ. এন্টারপ্রিনিউরশিপ (পরীক্ষার তারিখ-১২ আগস্ট ২০১৫) বিষয়সমূহের প্রশ্নপত্র।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, তারা প্রত্যেক পরীক্ষার আগেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে ও ফেসবুক-ইনবক্স ও ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র বন্ধুদের মধ্যে বিতরণ (শেয়ার) করে। তারা আরও জানায়, চলমান প্রত্যেকটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তারা পেয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মনিরুল ইসলাম জানান, গত ১৫ জুলাই রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফেসবুক এর মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস, উত্তরপত্র জালিয়াতি প্রতারক চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা করা হয়।
আটক রায়হান চৌধুরী ওরফে ড্যান ব্রাউনের আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দির সূত্র ধরে তিন শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টার সঙ্গে জড়িত।
তিনি জানান, এ চক্রের প্রধান ডেমরা গোলাম মোস্তফা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ শামীম শিকদার। সে এইচএসসি পরীক্ষার সময় কলেজে আসা প্রশ্নপত্র দুই ঘণ্টা আগেই কয়েকজন ছাত্রদের মধ্যে বিতরণ করতেন। পরবর্তীতে ওই ছাত্ররা মূল পরীক্ষায় অংশ নিত। সে পলাতক রয়েছে। পুলিশ শামীম শিকদারকে আটকের চেষ্টা করছে।