ঢাকাTuesday , 28 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বেড়াতে গিয়ে লাশ হলো রিক্তা

Link Copied!

Dead bodyগোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : রিক্তা খানম (১৪)। নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিল ২৬ জুলাই বোরবার। একদিন থাকার পর সোমবার দুপুরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সে। কিন্তু বাড়ি ফিরতে পারেনি। পরে রাতে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে পাওয়া যায় তার লাশ।
ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ি ফেরার পথে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশও ধর্ষণের আলামত পেয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার গঙ্গাধরদি গ্রামের মজিদ মিয়ার পরিত্যক্ত বাড়িতে। রিক্তা খানম দিগনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী ও সরদি গ্রামের রেজ্জাক শেখের মেয়ে।
সোমবার রাতে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মুকসুদপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আওলাদ শেখের ছেলে উজ্জ্বল শেখ (২৮), হাবিবুর মোল্লার ছেলে নূর আলম মোল্লা (৩০), সোহরাফ শেখের ছেলে হাইউল শেখ ( ২৩) ও খালেক শেখের ছেলে তুষার শেখকে আটক করেছে পুলিশ।
স্কুলছাত্রীর চাচা কাইয়ুম শেখ জানান, রিক্তা গত রোববার ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার গঙ্গাধরদি গ্রামে নানা বজলু চৌকিদারের বাড়িতে বেড়াতে যায়। সোমবার সকালে নানা বাড়ি থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তারপর আর সে বাড়ি ফিরে আসেনি। সেমবার দুপুর ১২টার দিকে রিক্তার লাশ সরদি গ্রামের মজিদ মিয়ার পরিত্যাক্ত ভিটায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাদের জানায়। পরে বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ সোমবার রাতে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসে।
মুকসুদপুর উপজেলার সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) গিয়াস উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর ওই ছাত্রীকে হত্যা করা হতে পরে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটানায় জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।