নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত প্রতিমাসে ৪০ কেজি চাল ও বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য ১০ হাজার টাকা সঠিকভাবে বিতরণের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতি।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
সংগঠনের সভাপতি ইসরাইল পণ্ডিত বলেন, ‘জাটকা ও ইলিশ রক্ষার জন্য যে সব জেলেদের জরিমানা ও জাল পোড়ানো হয়েছে তাদের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য বিভাগের ব্যবস্থাপনায় বিকল্প কাজের জন্য ১০ হাজার টাকা ও চার মাসের প্রতিমাসে ৪০ কেজি চাল দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে অথচ বরাদ্দকৃত সেই চাল এখন চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্থানীয় নেতারা ভাট বাটোয়ারা করে নিচ্ছে।’
তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, ‘প্রতি মাসে ৪০ কেজি চালের পরিবর্তে তিন মাসে ৬০ থেকে ৭০ কেজি চাল দিচ্ছে তারা। আবার ১০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকার মালামাল দিচ্ছে।’
এই অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যে সংবাদ সম্মেলন, জেলায় জেলায় জেলেদের মানববন্ধন, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো প্রতিকার আজও পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
মৎস্য বিভাগ ও জেলা সমিতির প্রতিনিধি ছাড়া জেলেদের তালিকা, মাস্টার রোল গ্রহণ না করে জাটকা জোনে সব উপজেলায় বিকল্প কর্মসংস্থানের অর্থ বরাদ্দেরও দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে আরো বক্তব্য দেন- সংগঠনের সহ সভাপতি সামছুদ্দিন ভুঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন শিকদার, কোষাধ্যক্ষ আনন্দ বরমান প্রমুখ।

