ঢাকাWednesday , 22 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উখিয়ায় প্রকাশ্যে ঘুরছে মানবপাচারকারীরা

Link Copied!

Human Traffickingকক্সবাজার প্রতিনিধি : জেলার উখিয়ায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা চিহ্নিত মানবপাচারকারী শীর্ষ গডফাদাররা প্রকাশ্যে ঘুরতে শুরু করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ও মানবপাচারের মামলার আসামি এসব গডফাদারদের ঈদের দিন (১৮ জুলাই) থেকে দেখা মিলছে বলে জানান স্থানীয়রা।
অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় তারা প্রকাশ্যে ঘুরছে এবং স্থানীয় লোকজনকে নানাভাবে হুমকি দেয়াও শুরু করেছে।
উখিয়ার সোনারপাড়া, চেপটখালী, সোনাইছড়ি এলাকার লোকজন জানান, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় গণকবরের সন্ধান, গভীর সাগর থেকে দফায় দফায় ভাসমান অভিবাসী প্রত্যাশীদের উদ্ধারের পর কঠোর অবস্থানে যান বাংলাদেশ। বিশেষ করে মানবপাচারের রুট কক্সবাজারে শুরু হয় বিশেষ অভিযান। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ-বন্দুকযুদ্ধ এবং পাচারকারীদের আভ্যন্তরিক দ্বন্দ্বে নিহত হন ৭ জন মানবপাচারকারী। এরপর থেকে কক্সবাজারের চিহ্নিত এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মানবপাচারকারী গডফাদাররা আত্মগোপনে চলে যান। যার মধ্যে উখিয়া উপজেলার সোনারপাড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকার অর্ধশত পাচারকারী ছিল দীর্ঘ সময় ধরে আত্মগোপনে। কিন্তু গত ঈদের দিন থেকে এসব পাচারকারীরা আবারো এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে।
উখিয়ার শীর্ষ মানবপাচারকারী রেজিয়া আক্তার রেবি, তার স্বামী নুরুল কবির, সোনাইছড়ি গ্রামের ছৈয়দ আলম, রুস্তম আলী, মাহামুদুল হক মাদু, আকতার মিয়া, শামশুল আলম সোহাগ, রানা, সাগর আলী, ফরিদ মাঝি, মজিবুল হক, চেপটখালীর আবুল কালাম, জালাল আহমদ, মুসলিম উদ্দিনসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত অনেক মানবপাচারকারী প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ঈদের দিন থেকে।
অভিযোগ উঠেছে, এসব মানবপাচারকারীরা এলাকায় প্রকাশ্যে অবস্থান নেয়ার পর থেকে নানাভাবে মানবপাচারের তথ্য দিয়ে সাংবাদিক এবং পুলিশকে সহায়তাকারীদের হুমকি দেয়া শুরু করেছে। তারা পুলিশকে ম্যানেজ করে এলাকায় ফেরার কথাও বলছে প্রকাশ্যে।
স্থানীয়রা জানান, সাবেক এক জনপ্রতিনিধির নেতৃত্বে ঈদের দু’দিন আগে উখিয়া পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে পাচারকারীদের গোপন বৈঠক হয়। বৈঠকে নুরুল কবির, ছৈয়দ আলম ও রুস্তম আলীসহ আরো কয়েকজন মানবপাচারকারী উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে মানবপাচারকারীরা জনপ্রতি এক লাখ টাকা উৎকোচ দেয়ার সমঝোতা হয়। এতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করবে না বলে আশ্বাস দেয়। এরপর ঈদের দিন থেকে মানবপাচারকারীদের এলাকায় দেখা যাচ্ছে।
উখিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন মজুমদার পুলিশের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টি সত্য নয় উল্লেখ্য করে জানান, পালিয়ে থাকা মানবপাচারকারীদের মধ্যে অনেকে এলাকায় ফেরার সংবাদ পেয়েছি। গ্রেপ্তারের জন্য তাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পাচারকারীদের ধরিয়ে দিতে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগিদের সহযোগিতা চেয়েছেন।