নিজস্ব প্রতিবেদক : পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এর লড়ে যাওয়ার ঘোষণা, শিক্ষকদের দাবির সমর্থনে সচিব কমিটিকে ডিও লেটার প্রদান এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শিক্ষকদের দাবিকে যৌক্তিক আখ্যা দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মনছুর ও সাধারণ সম্পাদক ড. কাজী এস এম খসরুল আলম কুদ্দুসী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে একথা বলা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বৈষম্যমূলক বেতনকাঠামো পুনঃনির্ধারণ ও স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন এর দাবির যৌক্তিকতা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এসব দাবি প্রধানমন্ত্রীর অকুন্ঠ সমর্থন পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
প্রসঙ্গত বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন গত ১৫ জুন শিক্ষামন্ত্রী, ১৮ জুন অর্থমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং ২১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন করেন এবং কিছু দাবি পেশ করেন।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে ছিল- সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপকদের বেতন-ভাতা জ্যেষ্ঠ সচিবের সমতুল্য করা, অধ্যাপকদের বেতন-ভাতা সচিবের সমতুল্য করা, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকদের বেতনকাঠামো ক্রমানুসারে নির্ধারণ করা, প্রত্যাশিত বেতনকাঠামো অনুযায়ী ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স-এ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পদমর্যাদা নিশ্চিত করা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের প্রাপ্ত অন্যান্য সুবিধাদি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদেরও পাওয়ার ব্যবস্থা করা।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন এর অংশীদার হিসেবে চবির শিক্ষক সমিতিও উক্ত দাবির পক্ষে গত ২৪ মে থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল ২৪ মে সংবাদ সম্মেলন, ২৫ মে চবি ক্যাম্পাসে মানববন্ধন, ২৬ ও ২৭ মে কালো ব্যাজ ধারণ, ২৮ মে প্রেস ক্লাবে মানব বন্ধন, ৩১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত ৩ দিন ব্যাপী ১ ঘন্টা করে কর্মবিরতি এবং ৪ জুন চবি বুদ্ধিজীবি চত্বরে ১ ঘন্টা অবস্থান।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন এর আহবানে ৮ জুন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সহ বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ ঘন্টার কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়।

