চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : যে বেগুন ৪-৫ দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা কেজি, সেই বেগুনই রমজানের একদিন আগে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। আর মরিচের দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। সে হিসেবে ১০ টাকার সমপরিমান মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। আর স্থানভেদে কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৫০ টাকা।
চুয়াডাঙ্গা সদরসহ আশপাশের এলাকায় এভাবেই দাম বেড়েছে নিত্যপণ্যের। এতে ভোক্তারা পড়েছেন বিপাকে। পণ্যভেদে কয়েকগুণ দাম বাড়ায় বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। এ জন্য তারা বাজার মনিটরিং ঠিকমতো হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রমজানের একদিন আগে চুয়াডাঙ্গার বাজারে অস্বাভাবিক হারে দাম বেড়েছে বেগুন, শসা, দেশি এবং ব্রয়লার মুরগিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সমগ্রির। যদিও ব্যবসায়ীদের দাবি দাম বেশি নেয়া হচ্ছে না।
ক্রেতারা জানান, ৪/৫ দিন আগে বেগুনের কেজি ছিল ১২-১৫ টাকা। রমজানের আগের দিন বৃহস্পতিবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। কাঁচামরিচ প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে সাতগুন। ১০ টাকার মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায় ।
এদিকে চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে ব্রয়লার মুরগির কেজি ছিল ১শ ৫০ টাকা। কিন্তু আজ তা বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২শ টাকায় । তবে ভোজ্য তেল, চিনি, ছোলা আগের দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে। চালের দামও স্থিতিশীল রয়েছে।
পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, অন্যবারের চেয়ে এ বছর রমজানকে সামনে রেখে কোনো পণ্যের দাম বাড়ানো হয়নি । যথেষ্ঠ সরবরাহ থাকায় বাজার স্থিতিশীল আছে বলে দাবি তাদের।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। বাজারে এসে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই বেশি ধরা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
তাদের অভিযোগ, রমজান মাস শুরুর আগে বাজার মনিটরিংয়ের দ্বায়িত্বে থাকা কর্তারা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করার কারণেই প্রতিবছর রমজানের সময় তাদের বেশি দাম দিয়ে পণ্য কিনতে হয়। গুনতে হয় বাড়তি টাকা।
তাই রমজানকে পুঁজি করে যাতে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিতে না পরে সেজন্য অবিলম্বে চুয়াডাঙ্গার বাজার ব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু তদারকির দাবি ক্রেতাদের।

