নিজস্ব প্রতিবেদক : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘৭১-এর রাজাকারদের যেমন দেশ থেকে চিরতরে প্রতিহত করতে না পারলে দেশকে রক্ষা করা যাবে না তেমনি নদী দখলকারীদের চিরতরে প্রতিহত করতে না পারলে নদীও রক্ষা করা যাবে না।’
বুধবার সকালে পূর্ত ভবন সম্মেলন কক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আয়োজিত ‘ঢাকার চারপাশে নদী রক্ষার কৌশল উদ্ভাবন ও আশু করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শাজাহান খান বলেন, ‘নদী রক্ষায় আমরা টাস্কফোর্স গঠন করেছি। এই টাস্কফোর্সের মাধ্যমে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করার ফলে আগের তুলনায় নদীর তীর দখল ও দূষণ অনেকটাই কমে এসেছে। বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর পৃথক কর্মসূচি নেয়ায় বুড়িগঙ্গা পুনরুদ্ধার, দূষণ, দখল অনেকটাই কমে এসেছে।’
মন্ত্রী বলেন,‘নদীর তীর উদ্ধার হওয়া জায়গা পুনরায় দখন না হয় সে লক্ষ্যে তুরাগ, বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্য নদীর পাড়ে ২৫ কিলোমিটার ওয়ার্কওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।’
নৌমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকার চারপাশের নদীগুলো খনন করে নৌযান চলাচলের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি ১২টি ওয়াটার বাস চালু করেছে।’
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আতাহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন প্রমুখ।

