ঢাকাSunday , 31 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে নোবেলজয়ীদের মন্তব্য প্রত্যাখান

Link Copied!

rohinggaআন্তর্জাতিক ডেস্ক : রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিয়ে করা নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের মন্তব্য প্রত্যাখান করেছে মিয়ানমার সরকার। একই সঙ্গে তাদের বক্তব্যকে ‘একচোখা ও নেতিবাচক’ বলে রোববার দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়।
গত সপ্তাহে একদল নোবেল বিজয়ী এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চালানো নির্যাতন গণহত্যার চেয়ে কম নয় বলে মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ডেসমন্ড টুটু, ইরানের শিরিন এবাদি ও পূর্ব তিমুরের সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা রয়েছেন।
মিয়ানমারের পত্রিকায় রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একচোখা হয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে। রাখাইন রাজ্যে বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে মিয়ানমার সরকার। ‘যেসব বাঙ্গালি বহুদিন ধরে বার্মায় বসবাস করছে জাতীয়ভাবে নিরীক্ষার মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব মঞ্জুর করা হবে।’
মিয়ানমারে বর্তমানে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান রয়েছে। হাজার বছর ধরে বসবাস করে আসা রোহিঙ্গাদের নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না মিয়ানমার। সরকারের দাবি রোহিঙ্গারা প্রতিবেশি বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মিয়ানমারে অনুপ্রবেশে করেছে। তাই তাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
রাখাইন রাজ্যে বিভিন্ন সময় রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে উগ্রপন্থী বৌদ্ধরা। ২০১২ সালে তাদের হামলায় নিহত হয় কয়েক হাজার রোহিঙ্গা। এছাড়া জাতিগত ওই সহিংসতায় গৃহহীন হয়েছে প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা। জাতিসংঘসহ আর্ন্তজাতিক সংস্থাগুলি রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আহ্বান জানালেও মিয়ানমার সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
চলতি মাসে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া উপকূলে মানবপাচারকরীদের শিকার কয়েক হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী এখনও ভাসমান অবস্থায় রয়েছে আড়াই হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী। এসব অভিবাসন প্রত্যাশীদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা। এ ঘটনার পর আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে আবারও রোহিঙ্গাদের বিষয়টি আলোচনায় আসে।