ঢাকাTuesday , 26 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যে সিরিজে হারবে না জিম্বাবুয়ে!

Link Copied!

pakস্পোর্টস ডেস্ক : নয় নয় করে দুটি টি২০ ম্যাচ লাহোরে হয়ে গেল। কোথায়? সেই গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে, যেখানে যাওয়ার পথে শ্রীলংকার টিম বাসে অতর্কিত হামলা চালিয়েছিল বন্দুকধারীরা। সে ২০০৯ সালের মার্চের কথা। এখন চলছে ২০১৫। মাঝে কেটে গেছে ছয়টি বছর। এরমধ্যে নিরাপত্তা ভয়ে কোন দলই পাকিস্তানে গিয়ে খেলার সাহস দেখায়নি। এই সময়টাকে শুধু ক্রিকেটই ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি, হয়েছে অন্য খেলাধুলাও। আর্থিকভাবে এর চড়ামূল্য দিতে হয়েছে পাকিস্তানকে।
বলা চলে বন্দুকের নলের মুখে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টি২০ সিরিজ হয়েছে। ব্যাপারটি আঁতকে ওঠার মতো! আসলে তা নয়, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়েছে, জিম্বাবুইয়ানদের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। কী স্থল পথ আর কী আকাশ পথ- একেবারে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনি। মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনীও। লক্ষ্য কিংবা উদ্দেশ্য একটাই, বাকি দেশগুলোকে বার্তা দেওয়া যে ‘তোমরা আমাদের দেশে একবার এসে দেখ, এখানে হামলার আতংক কিংবা ভয় নেই।’
অবশ্য প্রথম দুটি টি২০ ম্যাচে সেরকম কিছুই লক্ষ্য করা যায়নি। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে স্রেফ ক্রিকেটই হয়েছে। যেখানে দু’ম্যাচেই পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে এলটন চিগুম্বুরার জিম্বাবুয়ে। আসলেও কী জিম্বাবুয়ে হেরেছে? না, জিম্বাবুয়ে হারেনি। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে তিনটি ম্যাচেই যদি চিগুম্বুরার দল হেরে যায়, তারপরও তারা এই সিরিজ হারবে না! হ্যাঁ, এটা সেই সিরিজ যেখানে জিম্বাবুয়ে আগে থেকেই জিতে আছে!
একবার ভাবুন তো, এই পাকিস্তান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে পিসিবি কার কাছে যাওয়া বাদ রেখেছে! বাংলাদেশকে নিতে পিসিবির সে কী প্রচেষ্টা। বাংলাদেশ একবার রাজি হয়েও সফরে যায়নি, ব্যাপারটি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এ নিয়ে দু’দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সম্পর্কের অবনতিও ঘটে। পিসিবিও পাল্টা হিসেবে তাদের ক্রিকেটারদের এদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নিতে দেয়নি। অবশ্য বাংলাদেশ দলের না যাওয়ার কারণ সেই নিরাপত্তা সংকটই। নিজের জীবন বিপন্ন করে কে চাইবে ক্রিকেট খেলতে যেতে!
অথচ জিম্বাবুয়ে পিসিবির ডাকে সাড়া দিয়ে বিপদেও দিনে প্রকৃত বন্ধুর পরিচয় দিয়েছে। আর যাই হোক, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছে তো পাকিস্তানে! যদিও আইসিসি কোন অফিসিয়ালই (আম্পায়ার, রেফারি) পাঠায়নি। এসব চালিয়ে নিচ্ছে পিসিবিই। সবচেয়ে বড় কথা জিম্বাবুয়ের বদৌলতে নতুন করে যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে পাকিস্তানে।
চিগুম্বুরাদের এ ঋণ কী শোধ করতে পারবে পাকিস্তান!