স্পোর্টস ডেস্ক : গত ৫২ বছরে এত বড় লজ্জা পায়নি আর ইংল্যান্ডের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ক্লাব লিভারপুল। শিরোপা তো জিতছে না আগেই নিশ্চিত। সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স লিগও যে খেলা হচ্ছে না সেটাও নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল অলরেডদের। যে কারণে শেষ ম্যাচটায় খুব একটা চাপ ছিল না। নিয়মরক্ষার ম্যাচ বলেই খেলতে নামা। একই সঙ্গে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে স্টিভেন জেরার্ডের সর্বশেষ ম্যাচ ছিল এদিন।
কিন্তু, তাই বলে এতটা বিধ্বস্ত হতে হবে! এমন লজ্জা পেতে হবে ব্রেন্ডন রজার্সের দলকে। ব্রিটানিয়া স্টেডিয়ামে গিয়ে স্বাগতিক স্টোক সিটির কাছে ৬-১ গোলের বিশাল লজ্জায় ডুবতে হয়েছে লিভারপুলকে। প্রিমিয়ার লিগে জীবনের শেষ ম্যাচটাও কলঙ্কজনক অধ্যায় দিয়ে শেষ করতে হয়েছে স্টিভেন জেরার্ডকে।
তবে বিপরীত চিত্র ভিন্ন শিবিরে। স্টোক সিটি তাদের শত বছরের ইতহাসেও এত বড় জয় পায়নি প্রতিষ্ঠিত কোন শক্তির বিপক্ষে।
স্টোক সিটির বিপক্ষে মাঠে নামার আগে লিভারপুল কোচ ব্রেন্ডন রজার্স গর্ব করে বলেছিলেন, আমি ১৫০ ভাগ নিশ্চিত যে আগামী মৌসুমও লিভারপুলের কোচ থাকছি। যদিও এ মৌসুমে সবগুলো লক্ষ্য মিস হয়েছে আমাদের।
তবে সর্বশেষ ৯ ম্যাচে মাত্র ৮ পয়েন্ট অর্জন রজার্সের সব গালভরা বুলি ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় হিসেবেই দেখা যাচ্ছিল। এমনই এক প্রেক্ষাপটে স্টোক সিটির বিপক্ষে ব্রিটানিয়া স্টেডিয়ামে মাঠে নামে লিভারপুল।
প্রথমার্ধেই ৫-০ ব্যবধান তৈরী করে ফেলে স্টোক সিটি। খেলার ২২ মিনিটেই গোলের সূচনা করেন স্টোক সিটির ফুটবলার ম্যামে দিউফ। ২৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন একই ফুটবলার। ৩০ মিনিটে ৩-০ ব্যবধান তৈরী করে ফেলেন জোনাথন ওয়াল্টার।
চতুর্থ গোল আসে ৪১ মিনিটে। গোলদাতা চার্লি অ্যাডামস। ৪৫ মিনিটে ব্যবধান ৫-০ করেন স্টিভেন এনজুনাজি। এ অবস্থায় বিরতিতে যায় দু’দল। তবে বিরতির পর খেলা শুরু হলে দু’দলের কেউই কারও জাল খুজে পাচ্ছিল না। অবশেষে ৭০ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন স্টিভেন জেরার্ড। ৮৬ মিনিটে স্টোক সিটির পিটার ক্রাউচ করেন ৬ষ্ঠ এবং শেষ গোল।

