নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতের মেঘালয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ ফিরে এলে তিনি এতোদিন কোথায় ছিলেন, কিভাবে ছিলেন এবং কার সঙ্গে ছিলেন তার জবাব বিএনপিকেই দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত চলমান রাজনীতি নিয়ে আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
সুরঞ্জিত বলেন, ‘যতোক্ষণ পর্যন্ত বিএনপি তার অবস্থান সম্পর্কে বলতে না পারছে ততোক্ষণ পর্যন্ত নানা গুজবের ওপর নির্ভর না করে আইনানুগভাবে তাকে কিভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘সালাহ উদ্দিনের স্ত্রী তার সঙ্গে দেখা করতে গেছেন, আশা করছি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে। তবে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তাকেও আইনের জটিলতা অতিক্রম করেই জনসম্মুখে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসতে হবে।’
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যূত করার জন্য যারা নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করেছিলেন এবং খালেদা জিয়াকে উষ্কে দিয়েছিলেন তাদেরও আজ বোঝার বাকি নেই এটা বিংশ শতাব্দি নয়, একবিংশ শতাব্দি। আর বিংশ শতাব্দির রাজনীতি নেই। আজ সারাবিশ্বে একই রাজনীতি চলছে।’
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা বুঝিয়ে দিয়েছেন এ দেশে কোনো উগ্রপন্থি রাজনীতি চলবে না। বাংলাদেশে উগ্র জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। তিনি তার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পারদর্শিতা দিয়েই এসবকে অতিক্রম করে বাংলাদেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’
সুরঞ্জিত অভিযোগ করে বলেন, ‘জিয়াউর রহমান এদেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করেছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে জেলে পুরিয়েছিলেন। হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিল। এছাড়াও তিনি নির্বিচারে সেনাবাহিনীর সদস্যদের হত্যা করেছিলেন। তিনিই বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে সক্রিয় জড়িত ছিলেন।’
সংগঠনের সভাপতি ড. ইনামুল হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নেতা হুমায়ুন করিব মিজি, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম ও সাম্যবাদী নেতা হারুন চৌধুরী প্রমুখ।

