ঢাকাSaturday , 16 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্কুল পালানো ছেলেবেলা

Link Copied!

school-rearলাইফস্টাইল ডেস্ক : ছোটবেলায় স্কুল পালানোর ইতিহাস সবারই মোটামুটি থাকে। সাধারণত সাড়ে সাত বছর থেকে সাড়ে দশ বছর বয়সের মধ্যে এ সমস্যা বেশি দেখা দেয়। বিশ্বে স্কুলগামী শিশুদের মধ্যে শতকরা ২.৪ জন শিশুর এ সমস্যা রয়েছে। প্রথম স্কুলে ভর্তির সময় অথবা পরবর্তীতে কোনো কারণে স্কুল পরিবর্তন করা হলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
প্রথম স্কুলে যাওয়া, নতুন পরিবেশ, স্কুলে কোনো বন্ধু না থাকা, কেউ উত্যক্ত করলে, নতুন শিক্ষা পদ্ধতি, দীর্ঘদিন কোনো কারণে স্কুলে না গেলে, নিয়মিত খারাপ ফলাফল করলে শিশুরা স্কুলে যাওয়াকে ক্রমাগত নিরুৎসাহিত হয়। শিশুর মধ্যে স্কুলভীতি দেখা দিলে নানা অজুহাতে সে স্কুলে যাওয়া থেকে বিরত থাকে। জোর করে স্কুলে দিয়ে আসলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বাসায় চলে আসে।
স্কুলভীতির শিশুদের অন্যতম বৈশিষ্ট হচ্ছে এরা স্কুলের বদলে কেবল বাসায় থাকতেই পছন্দ করে। স্কুলে যাওয়ার সময় হলে পেট ব্যথা, বমিভাব বা বমির চেষ্টা কিংবা বুক ধড়ফড়, মাথাঘোরা ইত্যাদি সমস্যার কথা বলে সে স্কুলে যাওয়ার সময়টুকু পার করে দেয়। সময় পার হয়ে গেলে তার এ সমস্যাগুলো আর থাকে না। যে সব শিশুদের মধ্যে স্কুলভীতি থাকে বড় হয়ে তাদের কেউ কেউ উৎকণ্ঠা বা অহেতুক আতংকের মতো মৃদু মানসিক সমস্যায় ভুগতে পারে। স্কুলভীতি দূর করবার জন্য বাবা-মা এবং স্কুলের শিক্ষক সবারই সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
শিশুকে স্কুল সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা দিতে হবে। যদি দীর্ঘদিন ধরে তার মধ্যে স্কুলভীতি থাকলে বিকেলের দিকে স্কুলে ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন। স্কুল সময়ের বাইরে ও স্কুল সময়ের মধ্যে তাকে স্কুলে থাকার অভ্যাস করাতে হবে। স্কুলের প্রথমদিকে অল্প এবং পরে দীর্ঘ সময় কাটানোর অভ্যাস গড়তে হবে।
প্রয়োজনে বাড়িতে তাকে স্বাভাবিকের চাইতে একটু বেশি সময় দিতে হবে। স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে দিতে হবে। তাকে কোনো প্রতিযোগিতার মধ্যে ঠেলে দেয়া যাবেনা। ভালো রেজাল্ট করতেই হবে এমন কোনো লক্ষ্য বেঁধে দেয়া চলবে না। স্কুলে গেলে শিশুকে ছোট ছোট পুরস্কার দেয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে স্কুল পরিবর্তণ করা প্রয়োজন হতে পারে। স্কুলে যাওয়ার আগে শিশু সত্যিই অসুস্থ হয় কি না তা বুঝতে হবে। প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের নিতে পারেন।