লাইফস্টাইল ডেস্ক : বড়দের তুলনা শিশুরা বেশি স্পর্শকাতর হয়। তীব্র গরমের এই সময়ে সামান্য অসচেতন হলেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ঘাম অথবা ডায়রিয়ার কারণে শরীরে দেখা দেয় পানিশূন্যতা। তাছাড়া গরমের এই সময়ে প্রচুর পরিমাণে ডায়রিয়ার ভাইরাস ছড়ায়। ছোট থেকে বড় সবাই ডায়রিয়ার ঝুঁকির মধ্যে থাকে।
ডায়রিয়া একটি পানি ও খাদ্যবাহিত রোগ। ডাইরিয়া আক্রান্ত শিশুর সবচেয়ে জটিলতা হল পানিশূন্যতা। ডায়রিয়া হলে শিশুর মধ্যে একটি অস্থিরতা লক্ষ্য করা যায়, এমনকি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। এসময় শিশুর তৃষ্ণা বেড়ে যায়। খাবারে একেবারেই রুচি থাকে না। চোখ ভেতরে ঢুকে যায়, চামড়া ঢিলে হয়ে যায়, খিটখিটে মেজাজ বা নিস্তেজ হয়ে যায়।
শিশুর শরীরের পানিশূন্যতা পুরনের জন্য খাবার স্যালাইন ও অন্যান্য তরল খাবার বারবার দিতে। ঘন ঘন পানি, ভাতের মাড়, চিড়ার পানি, ডাবের পানি, টক দই, ঘোল, ফলের রস ও লবণ-গুড়ের শরবত খেতে দিতে হবে। তরল খাবারের সঙ্গে স্বাভাবিক খাবারও দিতে হবে।
এছাড়াও ডায়রিয়ার সঙ্গে শিশুর জ্বর থাকলে, অতিরিক্ত তৃষ্ণা থাকলে, খুব বেশি পরিমাণ পানির মতো পাতলা পায়খানা হলে, বারবার বমি হলে, স্যালাইন খেয়ে না রাখতে পারলে বা ১৪ দিনের বেশি ডায়রিয়া থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
তবে সব সময় খেয়াল রাখতে হবে, যাতে শিশু কোনো ধরনের শারীরিক অসুস্থতায় না পড়ে। দুপুরে রোদের মধ্যে শিশুদের ঘরের বাইরে বের হতে দেয়া যাবে না। সব সময় সুতি পাতলা কাপড় পরিয়ে রাখতে হবে। গরমের কষ্ট থেকে শিশুকে রক্ষা করতে তরল জাতীয় খাবার বেশি খাওয়াতে হবে। গরমে শরীর ঘেমে গেলে প্রতিবারই মুছে দিতে হবে। গরমের সময় শিশুকে ঠাণ্ডা পরিবেশে রাখতে পারলে অসুস্থ কম হবে।

