নীলফামারী প্রতিনিধি : পাঁচ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে নীলফামারীর তালুক গোলনা গ্রাম। ঝড়ে গ্রামের প্রায় দেড় হাজার পরিবারের ঘড়বাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এ সময় ঘর ও গাছ চাপা পড়ে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৫০জন আহত হয়েছেন।
রোববার রাত ১১টা ৫ মিনিটে শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। আহতদের মধ্যে ৪০ জন জলঢাকা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার ও পানি সরবরাহ করেছে। তবে ঘড়বাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
গোলনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মশিউর রহমান জানান, রোববার রাত ১১টা ৫ মিনিটে শুরু হয় কাল বৈশাখী ঝড়। এ সময় গ্রামবাসী ঘুমে অচেতন ছিল। হঠাৎ ঝড়ের সঙ্গে শুরু হয় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত। মুহূর্তে তা প্রলয়ঙ্করী রুপ ধারণ করে। মাত্র পাঁচ মিনিট স্থায়ী ঝড়ে তালুক গোলনা গ্রামের প্রায় দেড় হাজার পরিবারের ঘড়বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। বিধ্বস্ত হয়েছে তালুক গোলনা রশিদুল চৌধুরী দাখিল মাদরাসা।
ঝড়ে উপড়ে ও ভেঙে পড়েছে শত বছরের গাছসহ অসংখ্য গাছপালা। বৈদ্যুতিক খুটি ভেঙে পড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা। উঠতি পাকা বোরো ধান, ভুট্টা, মরিচ, পাটসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান জানান, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ শেষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

