ঢাকাMonday , 4 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মামলা করবেন কো-পাইলট তামান্নার পরিবার

Link Copied!

Tamannaরাজশাহী প্রতিনিধি : হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির প্রশিক্ষণ বিমান বিধস্ত হয়ে কো-পাইলট তামান্ন রহমান হৃদির নিহত হওয়ার ঘটনায় শিগগিরই মামলা হচ্ছে।
নিহত কো-পাইলট হৃদির পরিবারের পক্ষ থেকে এ মামলা দায়ের করা হবে।
সোমবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি রেস্তোরায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত তামান্নার বাবা ডা. আনিসুর রহমান একথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত তামান্ন রহমানের মা রেহানা ইয়াসমিন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী ফ্লাইং একাডেমি এবং সিভিল অ্যাভিয়েশনসহ যেকোনো বিমানবন্দরের রানওয়েতে ২৪ ঘণ্টা ফায়ার সার্ভিস টিম, রেসকিউ টিম ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার কথা, যাতে কোনো দুর্ঘটনার দুই মিনিটের মধ্য ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়। কিন্তু রাজশাহী বিমানবন্দরে যখন দুর্ঘটনা ঘটে তখন সেখানে কিছুই ছিল না। ঘটনার পর স্থানীয়রা এগিয়ে আসলেও ২১ মিনিট পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এগিয়ে আসেন। ততক্ষণে মেয়ে তামান্না পুড়ে কয়লা হয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি তিন দশকেরও বেশি পুরানো এয়ারক্রাফট এবং প্রায় ভাঙা প্লেন দিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় নষ্ট সিটবেল্ট, নষ্ট হুইল, পুরানো ক্ষয়ে যাওয়া ইঞ্জিন দিয়ে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির চিফ ইঞ্জিনিয়ার মনিরুজ্জামান কোনো ধরনের সার্টিফিকেট ছাড়াই এখানে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তামান্নার বাবা ডা. আনিসুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির পাহাড় সমান দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার জন্য আমি আজ আমার একমাত্র মেয়েকে হারালাম। তাই বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমির নানা অব্যস্থাপনার তথ্য ও প্রমাণাদি সংগ্রহ করা হয়েছে। খুব শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবো।
এছাড়া ঘটনার দীর্ঘদিন পার হওয়ার পরেও তদন্ত রিপোর্ট না দেয়ার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএমএর রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সভাপতি ডা. তবিবুর রহমান শেখ, রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হেদায়েতুল্লাহ, বিএমএ রাজশাহীর সভাপতি ডা. দীপক কুমার মোহান্ত উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, রাজশাহীতে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি অ্যান্ড সিভিল অ্যাভেয়েশনের স্যাসনা-১৫২ প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে তামান্না রহমান (২২) নামে এক পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় প্রশিক্ষক লে. কর্নেল (অব) সাঈদ কামাল গুরুতর আহত হয়েছে।
১ এপ্রিল বুধবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে প্রশিক্ষক লে. কর্নেল (অব) সাঈদ কামাল বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি অ্যান্ড সিভিল অ্যাভেয়েশনের স্যাসনা-১৫২ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে প্রশিক্ষার্থী পাইলট তামান্না রহমানকে নিয়ে উড্ডয়ন করেন। ১টা ৫৮ মিনিটের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জরুরি অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। এতে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। ওই আগুনে প্রশিক্ষনার্থী পাইলট তামান্না রহমান দগ্ধ হয়ে মারা যান।
গুরুতর দগ্ধ হন প্রশিক্ষক সাইদ কামাল। সাইদ কামালকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয় পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও সে কমিটির রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি।